অশ্লেষা চৌধুরী: “আমি একটু গাধা আছি, আমি একটু বোকা আছি, আমি খুব সহজ সরল ভাবে বিশ্বাস করে ফেলি, আর এতে আবার আমি ঠকেও যাই,” উত্তর কাঁথির জনসভা থেকে নাম না করে অধিকারী পরিবারের উদ্দেশ্যে এক রাশ ক্ষোভ ও সঙ্গে কটাক্ষ ছুঁড়ে দিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
রবিবার পূর্ব মেদিনীপুরে পর পর তিনটি জনসভা করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রথমে দক্ষিণ কাঁথি। তারপর উত্তর কাঁথি হয়ে শেষ সভাটি ছিল নন্দকুমারে। এই তিনটি সভাতেই গেরুয়া শিবির ও সেইসঙ্গে অধিকারী পরিবারকে একের পর এক আক্রমণ শানান মমতা। তবে এইবার কিছুটা অন্য ভঙ্গিমায় এই কাজটি করেন তৃণমূল নেত্রী। অধিকারী পরিবারকে নাম না করে তোপ দেগে তিনি বলেন, “আমি ওদের অনেক ভালবাসতাম, ওরা যা চেয়েছে আমি সব দিয়ে দিয়েছি। আমি আসলে ওদের অন্ধ বিশ্বাস করেছিলাম।” এরপর নিজেকেই কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে তিনি বলেন, “আমি একটু গাধা আছি, আমি একটু বোকা আছি, বিশ্বাস করে আমি ঠকে যাই, কিন্তু এতেও আমি মজা পাই। কারণ বিশ্বাসঘাতকদের মুখোশ খুলে যায়, আমার মুখোশ খোলে না, কারণ আমার কোনও মুখোশ নেই।”
মমতা বলেন, “ওরা আমার বিশ্বাসের সুযোগ নিয়েছে। আমার ঘরে বসে সিঁদ কেটেছে। এখন বলছে ২০১৪ সাল থেকে বিজেপির সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছে। ঘরশত্রু বিভীষণ হয়ে থেকেছে ওরা।” পাশাপাশি শিশির অধিকারী ও শুভেন্দু অধিকারীকে নাম না করে গদ্দার, মীরজাফর বলে আক্রমণ করেন তিনি। প্রসঙ্গত, রবিবারই অমিত শাহের সভায় শিশির অধিকারী গেরুয়া শিবিরে যোগ দেন।
বিরোধীদের তীব্র আক্রমণ করে মমতা বলেন, ‘সিপিএম জগাই, কংগ্রেস মাধাই, বিজেপি গদাই। কেন ৮৫০ টাকা দিয়ে গ্যাস কিনতে হবে? কেন্দ্রকে বিনা পয়সায় মানুষকে গ্যাস দিতে হবে। কোল, এয়ার ইন্ডিয়া বিক্রি হচ্ছে কেন বিজেপি জবাব দাও। রেল, জীবন বিমা বিক্রি হচ্ছে কেন বিজেপি জবাব দাও। পিএম কেয়ার, নোটবন্দির টাকা কোথায় গেল জবাব দাও। ভোট এলে অনেককে ৫০০, ১০০০ টাকা দেবে গদ্দাররা। আমি আসলে গদ্দারদের বুঝতে পারিনি। গদ্দাররা এখন হাজার-হাজার কোটি টাকার মালিক।” উপস্থিত মা বোনদের উদ্দেশ্যে বলেন, ঘরে ঘরে রেশন, স্বাস্থ্যসাথী চাইলে তৃণমূলকে ভোট দিন। মা বোনেরা, এবার খেলা হবে তো? গুন্ডারা এলে হাতা-খুন্তি নিয়ে তেড়ে যাবেন তো?’
তিনি এও বলেন, ‘গদ্দারদের বোল্ড আউট করতে হবে। এমনভাবে ব্যাটিং করুন, বিজেপি আউট হবে।‘ ভোট বা ইভিএম মেশিন লুঠ হওয়ার আশঙ্কা করে মমতা বলেন, “বাইরের গুন্ডাদের এলাকায় ঢুকতে দেবেন না। বিজেপি যেন ইভিএম লুঠ করতে না পারে। ভিভি প্যাট যন্ত্র ভাল করে দেখে নেবেন। দলীয় কর্মীদের ইভিএম পাহারা দিতে হবে। ভোট মেশিনের দখল আটকাতে হবে।“
নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে, বঙ্গে ততই চড়ছে রাজনৈতিক পারদ। বাংলা দখলের লড়াইয়ে একদিকে মমতার মোকাবেলা করতে প্রায় প্রতিদিনই কেন্দ্র থেকে মোদি-শাহজি ছুটে ছুটে আসছেন, জনসভা করছেন। অপরদিকে মমতাও পাল্টা দিতে ছাড়ছেন না। একের পর এক আক্রমণ শানাচ্ছেন বিজেপি ও কেন্দ্রীয় সরকারকে নিশানা করে।
অভিরুপ মাইতি, খড়গপুর: দু’টি বিয়ের পরেও ফের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়া, আর তারই জেরে শেষ পর্যন্ত…
লক্ষাধিক টাকার জাল নোট-সহ আটক সপ্তম শ্রেণির মেধাবী ছাত্র। পুলিশ নাবালকের কাছ থেকে ৪ লক্ষ…
বলিউড অভিনেতা সোনু সুদ করোনার সময়ে সাধারণ মানুষের ত্রাতা হয়ে উঠেছিলেন। জুটেছিল বাস্তব জীবনের হিরোর…
নিজস্ব সংবাদদাতা: স্কুল কিংবা টিউশন পড়তে যাওয়ার পথে কিশোরীর দিকে চেয়ে থাকত লোলুপ দু'টো চোখ।…
বিশ্বজিৎ দাস:- ভয়াবহ দুর্ঘটনার হাত থেকে রেহাই পেল ক্যানিং স্টাফ স্পেশাল ট্রেন। তাও মাত্র সাত…
নিজস্ব সংবাদদাতা: লকডাউন কেড়ে নিয়েছে তাঁর এবং স্বামীর পেশা। একরত্তি মেয়ে কে নিয়ে সংসার ভাসছে…