নিজস্ব সংবাদদাতা: উত্তরপ্রদেশের আরাইয়া শনিবার ভোর সাড়ে তিনটে নাগাদ একটি লরি আর ডিসিএম ট্রাকের মুখোমুখি ধাক্কায় মৃত্যু হয়েছে অন্তত ২৪ জন পরিযায়ী শ্রমিকের। ঘটনায় আহত হয়েছে অন্তত ১৫ জন। জানা গিয়েছে, লরিতে করে ফেরার সময় দুর্ঘটনার কবলে পড়া ওই শ্রমিকরা বিহার, ঝাড়খণ্ড ও পশ্চিমবঙ্গের বাসিন্দা। রাজস্থান থেকে তাঁরা নিজেদের বাড়ি ফিরছিলেন।
দুর্ঘটনার পর সেখানে ছুটে যায় স্থানীয় প্রশাসন। আহতের উদ্ধার করে নিকটবর্তী জেলা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সেখানেই তাঁদের চিকিৎসা চলছে। দুর্ঘটনা নিয়ে আরাইয়ার জেলাশাসক অভিষেক সিংহ বলেছেন, ‘‘আজ সাড়ে তিনটে নাগাদ ওই দুর্ঘটনা ঘটে। ২৪ জনের মৃত্যুর পাশাপাশি ১৫-২০ জন আহত হয়েছেন। ওই শ্রমিকেদের অধিকাংশই বিহার, ঝাড়খণ্ড ও পশ্চিমবঙ্গের বাসিন্দা।’’
পুলিশ জানিয়েছে ঘটনাটি ঘটেছে স্থানীয় কোতোয়ালি থানার মিহাউলি গ্রামের কাছে। আহতদের এটোয়ার একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে যাঁদের মধ্যে অনেকেই আশঙ্কা জনক। ফলে মৃত্যুর সংখ্যা আরও বাড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।
বিষয়টি নজরে এসেছে উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথেরও। উত্তরপ্রদেশের অ্যাডিশনাল চিফ সেক্রেটারি (হোম) অবনীশ অবস্তি বলেছেন, ‘‘আরাইয়ার এই দুর্ভাগ্যজনক ঘটনার নোট নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। শ্রমিকদের পরিবারের প্রতি তিনি নিজের সমবেদনা ব্যক্ত করেছেন। আহতদের দ্রুত চিকিৎসার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। আইজি কানপুরকে ঘটনা পরিদর্শন করে রিপোর্টও দিতে বলেছেন।’’
সমাজবাদী পার্টির নেতা অখিলেশ যাদব দাবি করেছেন, মৃতদের পরিবার পিছু ১০লক্ষ টাকা করে দিক উত্তরপ্রদেশ সরকার আর ঘরে ফেরা শ্রমিকদের জন্য বাসের ব্যবস্থা করুক সরকার। পুলিশ জানিয়েছে আলাদা করে মৃতদের পরিচয় নথিভুক্ত করা হচ্ছে। শীঘ্রই তা সংশ্লিষ্ট রাজ্যগুলিকে জানিয়ে দেওয়া হবে। আরও জানা গেছে বাড়ি ফিরতে মরিয়া শ্রমিকের দল প্রায় ৫০ কিলোমিটার হেঁটে ফিরছিল। পথের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বোঝাই ট্রাকটিকে থামিয়ে উঠে পড়েছিল তারা।
এদিকে শনিবারের এই ঘটনার হিসাব ধরলে গত ৪৮ ঘন্টায় পুলিশের খাতায় দেশজুড়ে পরিযায়ী শ্রমিকদের মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪৪ জনে। প্রায় প্রতি ঘন্টায় মৃত্যু হয়েছে ১ জন শ্রমিকের। শুক্রবারই মধ্যপ্রদেশের গুনা ও উত্তরপ্রদেশের মুজফ্ফরনগরে দু’টি দুর্ঘটনায় বাড়ি ফেরার পথে প্রান হারিয়েছেন ১৪ জন শ্রমিক। আহত ৬১ জন। বাড়ি ফেরার পথে হেঁটে যাওয়া এই শ্রমিকদের ওপর দিয়ে চলে গিয়েছিল একটি বাস। ওইদিনই দিল্লি-সহারানপুর হাইওয়ের উপরে তাঁদের পিষে দেয় একটি সরকারি বাস। ঘটনাস্থলেই ছয় জন শ্রমিক মারা যান। এঁদের মধ্যে এক পিতাপুত্রও ছিল।
অন্যদিকে অন্যদিকে বৃহস্পতিবার রাতে গুজরাত থেকে পায়ে হেঁটে উত্তরপ্রদেশের গ্রামের বাড়িতে ফিরছিলেন সাত জন শ্রমিক। বরাবাঁকি এলাকায় মারাত্মক এক পথ দুর্ঘটনার মুখোমুখি হয় শ্রমিকদের ওই দলটি। ঘটনাস্থলেই মারা যান তিন জন।বৃহস্পতিবারই ট্রাকে করে আরও এক দল শ্রমিক মহারাষ্ট্র থেকে ফিরছিলেন উত্তরপ্রদেশে। বাহরাইচের কাছে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দুর্ঘটনা ঘটায় ট্রাকটি। এক জন শ্রমিক মারা যান ঘটনাস্থলেই আরও ৩২ জন জখম হয়ে ভর্তি হাসপাতালে। জালাউন এলাকায় আরও একটি দুর্ঘটনার শিকার হয়ে প্রাণ হারান আরও ২ শ্রমিক।
অভিরুপ মাইতি, খড়গপুর: দু’টি বিয়ের পরেও ফের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়া, আর তারই জেরে শেষ পর্যন্ত…
লক্ষাধিক টাকার জাল নোট-সহ আটক সপ্তম শ্রেণির মেধাবী ছাত্র। পুলিশ নাবালকের কাছ থেকে ৪ লক্ষ…
বলিউড অভিনেতা সোনু সুদ করোনার সময়ে সাধারণ মানুষের ত্রাতা হয়ে উঠেছিলেন। জুটেছিল বাস্তব জীবনের হিরোর…
নিজস্ব সংবাদদাতা: স্কুল কিংবা টিউশন পড়তে যাওয়ার পথে কিশোরীর দিকে চেয়ে থাকত লোলুপ দু'টো চোখ।…
বিশ্বজিৎ দাস:- ভয়াবহ দুর্ঘটনার হাত থেকে রেহাই পেল ক্যানিং স্টাফ স্পেশাল ট্রেন। তাও মাত্র সাত…
নিজস্ব সংবাদদাতা: লকডাউন কেড়ে নিয়েছে তাঁর এবং স্বামীর পেশা। একরত্তি মেয়ে কে নিয়ে সংসার ভাসছে…