বিভূ কানুনগো: খড়গপুর শহরের একটি ধ্বংস স্তুপে পরিণত হওয়া পার্ক ও তাঁর মধ্যে অবস্থিত লেনিন মূর্তিকে ফিরিয়ে দিল খড়গপুর পৌরসভা বা বলা যেতে পারে ফিরিয়ে দিলেন খড়গপুর শহর বিধায়ক তথা খড়গপুর পৌরসভার প্রশাসক প্রদীপ সরকার। প্রদীপের এই উদ্যোগে খুশি শহরের বাম সমর্থকদের একটি অংশ বিশেষ করে যাঁদের সঙ্গে এই পার্কটির স্মৃতি জড়িয়ে আছে। সোমবার একটি অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে পৌরসভার উদ্যোগে সংস্কার করা লেনিন পার্ক নামে এই পার্কটির উদ্বোধন করেন বিধায়ক নিজে সঙ্গে নব নির্মিত লেনিনের আবক্ষ মূর্তির আবরণ উন্মোচন করেন তিনি। এই অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত ছিলেন খড়গপুর শহরের প্রবীণ ও নবীন বামপন্থী নেতা কর্মীরা।
জানা গেছে সাতের দশকের গোড়ায় বামপন্থী আন্দোলনের ওপর যখন রাজ্য জুড়ে ভয়ঙ্কর আক্রমন নেমে এসেছিল তখন খড়গপুরের মাটিতে দাঁড়িয়ে লেনিনের নামে একটি পার্ক ও মূর্তি প্রতিষ্ঠার দু:সাহস দেখিয়েছিলেন এই শহরের বামপন্থীরা। প্রয়াত ও প্রাক্তন সাংসদ নারায়ন চৌবে এবং রেল কারখানার মেনস ইউনিয়নের কয়েকজন নেতা এবং সুভাষপল্লীর উদ্বাস্তু নেতারাই এর উদ্যোক্তা ছিলেন। সেই সময় অগ্রনী ভূমিকায় ছিলেন তেলেগু ভাষাভাষি কিছু মানুষজনও। পার্কটি দেখভাল করতেন ওই ভাষাভাষি মানুষদেরই পরিচালিত রেডস্টার ক্লাব। কালের নিয়মে অবশ্য ধ্বংস স্তুপে পরিণত হয় পার্কটি। আগাছায় ভরে যায়। নষ্ট হয়ে যায় লেনিন মূর্তিটিও
রেড স্টার ক্লাবের পক্ষ থেকেই পুরসভার কাছে আবেদন জানানো হয়েছিল পার্কটির পুনর্গঠন করে দেওয়ার জন্য। সেই আবেদন মতই পার্কটির সংস্কার করে পুরসভা। প্রবীণদের বসা ও শিশু কিশোরদের খেলার উপযোগী করে গড়ে তোলা হয়েছে পার্কটিকে। ক্লাবের বর্তমান সম্পাদক শঙ্কর রাও জানিয়েছেন, “আমরা কৃতজ্ঞ পুরসভা ও বিধায়কের কাছে যে তিনি আমাদের আর্জি মঞ্জুর করেছেন। আমরা আপ্লুত বিধায়কের এই উদ্যোগে।”
অনুষ্ঠানে সিপিআইয়ের পক্ষে বাসুদেব ব্যানার্জী, বাসুদেব ঘোষ, ভি শেসগিরি রাও, আয়ুব আলি, সিপিএমের অনিত বরণ মন্ডল, অমিতাভ দাস, স্মৃতিকণা দেবনাথ, আমরা বামপন্থীর পক্ষে অনিল দাস(ভীম) প্রভৃতিরা উপস্থিত ছিলেন।
মূর্তির আবরণ উন্মোচন করতে গিয়ে বিধায়ক বলেছেন, ‘লেনিন কোনোও ধর্ম বা রাজনৈতিক সম্প্রদায়ের মানুষ ছিলেননা তিনি ছিলেন দুনিয়ার শ্রমিক শ্রেণীর বন্ধু। তাই তাঁর প্ৰয়োজনীয়তা আজও প্রাসঙ্গিক। আমি যে রাজনীতি করিনা কেন একজন নির্বাচিত জন প্রতিনিধি হিসাবে আমি সমস্ত মানুষের, সমস্ত সম্প্রদায়ের। সেই জায়গা থেকেই পৌরসভা এই উদ্যোগ নিয়েছে।’
উপস্থিত সমস্ত বামপন্থী নেতৃত্বই প্রদীপ সরকারের এই উদ্যোগের প্রশংসা করেছেন অবলীলায়। নিজেদের এলাকায় ধ্বংস হয়ে যাওয়া পার্কটি ফিরে পেয়ে খুশি এলাকার বাসিন্দারাও।
অভিরুপ মাইতি, খড়গপুর: দু’টি বিয়ের পরেও ফের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়া, আর তারই জেরে শেষ পর্যন্ত…
লক্ষাধিক টাকার জাল নোট-সহ আটক সপ্তম শ্রেণির মেধাবী ছাত্র। পুলিশ নাবালকের কাছ থেকে ৪ লক্ষ…
বলিউড অভিনেতা সোনু সুদ করোনার সময়ে সাধারণ মানুষের ত্রাতা হয়ে উঠেছিলেন। জুটেছিল বাস্তব জীবনের হিরোর…
নিজস্ব সংবাদদাতা: স্কুল কিংবা টিউশন পড়তে যাওয়ার পথে কিশোরীর দিকে চেয়ে থাকত লোলুপ দু'টো চোখ।…
বিশ্বজিৎ দাস:- ভয়াবহ দুর্ঘটনার হাত থেকে রেহাই পেল ক্যানিং স্টাফ স্পেশাল ট্রেন। তাও মাত্র সাত…
নিজস্ব সংবাদদাতা: লকডাউন কেড়ে নিয়েছে তাঁর এবং স্বামীর পেশা। একরত্তি মেয়ে কে নিয়ে সংসার ভাসছে…