নিজস্ব সংবাদদাতা: গত প্রায় ২০দিন ধরে মাছি গলছিলনা পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা স্বাস্থ্য দপ্তর থেকে। প্রাক্তন মুখ্য স্বাস্থ্য অধিকারিক গিরীশ চন্দ্র বেরা বদলি হওয়ার পর থেকেই জেলা স্বাস্থ্যদপ্তর থেকে করোনা সংক্রান্ত কোনও তথ্য পাওয়াই যাচ্ছিলনা। এমন কি জেলা স্বাস্থ্য দপ্তরের তরফে তৈরি করা সাংবাদিকদের তথ্য আদান প্রদানের জন্য হোয়াটস্যাপ গ্রুপেও কোনও মন্তব্যও করেননি বর্তমান মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক। কিন্তু শনিবারটা একেবারেই উল্টো হয়ে গেল।
শনিবার সকালেই খড়গপুর মহকুমা প্রশাসন ও পৌরসভা এবং বিধায়ক মিলিয়ে মোট ১০জনের নুমনা সংগ্ৰহ করা হয়েছিল, সন্ধ্যার মধ্যেই চলে এল করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট কার্ডও! দেখা গেল দশ জনই নেগেটিভ অর্থাৎ দশে দশ পেয়েই পাশ। শনিবার সন্ধ্যাতেই সেই রিপোর্ট কার্ড ছড়িয়ে পড়ল হোয়াটস্যাপে, সোশ্যাল মিডিয়ায়। শুভ সংবাদ এভাবেই তো ছড়িয়ে পড়ে!
গত মঙ্গলবার বিদায়ী ভাইস চেয়ারম্যান সেক হানিফ করোনা আক্রান্ত বলে খবর পাওয়ার পরই কোয়ারেন্টাইনে চলে গেছিলেন মহকুমা শাসক, বিধায়ক, বিদায়ী কাউন্সিলররা। কারন এঁরা প্রত্যেকেই হানিফের সংস্পর্ষে এসেছিলেন। শনিবার, ৮ ঘন্টারও কম ব্যবধানে রেজাল্ট এল সকালে পরীক্ষার জন্য নমুনা দিয়েছিলেন এমন সবাই নেগেটিভ। এর আগে নেগেটিভ এসেছিল হানিফের সংস্পর্ষে আসা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, হানিফের পরিবারের ৫ সদস্যও নেগেটিভ। স্বস্তির কথা হানিফের কাছ থেকে কেউই সংক্রমিত হননি।
শনিবার নমুনা দিয়েছিলেন খড়গপুর মহকুমা শাসক বৈভব চৌধুরী ও তাঁর স্ত্রী, বিধায়ক প্রদীপ সরকার, অতিরিক্ত মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক দেবাশিস পাল, চিকিৎসক সুতনুকা সাঁতরা, বিদায়ী কাউন্সিলর রবিশঙ্কর পান্ডে, এ পূজা, জগদম্বা প্রসাদ গুপ্তা, জহর পাল ও তাঁর ছেলে অসিত পাল। সবাই করোনা পরীক্ষায় সসম্মানে উর্ত্তীর্ণ।
যদিও এটাকে পরীক্ষা বলতে নারাজ বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা মেদিনীপুরের সাংসদ দিলীপ ঘোষ। তাঁর মতে “এ পরীক্ষা পজেটিভকে নেগেটিভ সাজানোর পরীক্ষা। যেখানে অন্যদের ফলাফল আসতে ১০দিনের বেশি লেগে যায় কখনও কখনও। ২ দিনের আগে রেজাল্টই আসেনা সেখানে কয়েক ঘন্টার মধ্যেই ফল চলে আসে কি করে? কোন ল্যাবে পরীক্ষা করা হল?”
শুক্রবারই দিলীপ বলেছিলেন, খড়গপুরকে তৃনমূল করোনা হাব বানিয়েছে আর শনিবার দিলীপের বক্তব্য কোনও পরীক্ষা হচ্ছেনা। সবই সাজানো ব্যাপার। যদিও সেই যুক্তি বাতিল করে দিয়ে স্বাস্থ্যদপ্তরের বক্তব্য, প্রশাসনিক আধিকারিকদের বেলায় পরীক্ষা দ্রুত শেষ করার কারণ হল তাঁদের ওপরে প্রশাসনিক ক্রিয়াকান্ড নির্ভর করে।
তবে সামান্য একটা ভুল হয়ে গেছে স্বাস্থ্যদপ্তরের রিপোর্ট কার্ডে । ২১নম্বর ওয়ার্ডের বিদায়ী কাউন্সিল জগদম্বা প্রসাদ গুপ্তার নামের পাশে মহিলা লেখা হয়েছে। আসলে নামের মাঝখান থেকে প্রসাদ কথাটা না উল্লেখ থাকায় এই বিপত্তি। শুধু জগদম্বা লিখলে যে কেউই তো মহিলাই ভাববেন তাইনা?
অভিরুপ মাইতি, খড়গপুর: দু’টি বিয়ের পরেও ফের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়া, আর তারই জেরে শেষ পর্যন্ত…
লক্ষাধিক টাকার জাল নোট-সহ আটক সপ্তম শ্রেণির মেধাবী ছাত্র। পুলিশ নাবালকের কাছ থেকে ৪ লক্ষ…
বলিউড অভিনেতা সোনু সুদ করোনার সময়ে সাধারণ মানুষের ত্রাতা হয়ে উঠেছিলেন। জুটেছিল বাস্তব জীবনের হিরোর…
নিজস্ব সংবাদদাতা: স্কুল কিংবা টিউশন পড়তে যাওয়ার পথে কিশোরীর দিকে চেয়ে থাকত লোলুপ দু'টো চোখ।…
বিশ্বজিৎ দাস:- ভয়াবহ দুর্ঘটনার হাত থেকে রেহাই পেল ক্যানিং স্টাফ স্পেশাল ট্রেন। তাও মাত্র সাত…
নিজস্ব সংবাদদাতা: লকডাউন কেড়ে নিয়েছে তাঁর এবং স্বামীর পেশা। একরত্তি মেয়ে কে নিয়ে সংসার ভাসছে…