ইন্দা কলেজের গার্লস হোস্টেল সালেহা খাতুন ছাত্রী নিবাসে আপাতত ২০টি শয্যা নিয়ে এই সেফহোম চালু হলেও দ্রুত এটিকে ৪০ শয্যায় রূপান্তরিত করা হবে বলে জানিয়েছেন কর্তৃপক্ষ। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ‘আমরা সেফহোম গড়ার মানসিক প্রস্তুতি নিয়েই এগুচ্ছিলাম কিন্তু সরকার তখনো বেসরকারি উদ্যোগে এই ধরনের হোম গড়ার অনুমতি দেননি। সরকারি নীতি ঘোষিত হওয়ার সাথে সাথেই আমরা আবেদন করি এবং অনুমতি পেয়ে যাই।”
সেন্ট জনস আ্যম্বুলেন্স ব্রিগেডের খড়গপুর উইংস ব্রিগেডিয়ার রাষ্ট্রপতি পুরস্কার প্রাপ্ত অসীম নাথ জানিয়েছেন, ” ১২ জন চিকিৎসক যুক্ত হয়েছেন এই পরিষেবায়। এখনও অবধি ৮জন নার্স এসেছেন আরও চারজন আসবেন। ডাক্তার ও নার্স আ্যসোশিয়েশন আমাদের অভূতপূর্ব সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। আমরা কৃতজ্ঞ তাঁদের প্রতি। কৃতজ্ঞ খড়গপুর মহকুমা শাসক স্যার আজমল হুসেনের প্রতি যাঁর প্রশাসনিক তৎপরতায় শুধু জেলা নয় সম্ভবতঃ রাজ্যে প্রথম কলকাতার বাইরে বেসরকারি সেফ হোম গড়ে তোলা সম্ভব হয়েছে।”
হোম কর্তৃপক্ষ বলেছেন, ” খড়গপুরবাসী একটা প্রচন্ড ভয়ভীতির মধ্যে দিয়ে যাচ্ছেন, করোনা হলে কোথায় গেলে পরিষেবা পাওয়া যাবে এনিয়ে যেমন দুশ্চিন্তা রয়েছে তেমনই দুশ্চিন্তা অক্সিজেন সংকট নিয়ে। কেউ কেউ হয়ত আতঙ্কেই অর্ধেক শেষ হয়ে যাচ্ছেন। তাঁদের সবার কাছেই আমরা জানাচ্ছি আর কোনও ভয় নেই, প্রাথমিক ধাক্কা সামলে নেব আমরা। তারপর বেশি অসুস্থ হয়ে পড়লে পাঠানো হবে কোভিড হাসপাতালে। ২৪ঘন্টা চিকিৎসক ও নার্স থাকবেন। উপসর্গহীন ও মৃদু উপসর্গযুক্তদের জন্য এই সেফহোমে খাবার, ওষুধ, অক্সিজেন সবই পাওয়া যাবে বিনামূল্যে।”
অসীম নাথ আরও বলেছেন, “কেউ কেউ সপরিবারে আক্রান্ত হচ্ছেন। পুরো পরিবারকেই নিয়ে আসব আমরা। উপসর্গহীন, মৃদুউপসর্গ যুক্ত কেউ যদি বাড়িতে বসে চিকিৎসা পরিষেবা নিতে চান আমাদের ডাক্তারবাবুরা ভিডিও কলিং মারফৎ টেলিমেডিসিন পদ্ধতিতে চিকিৎসা করবেন। কেউ ভয় পাবেননা, আতঙ্কে ভুগবেননা। আমরা সবাই মিলে এই করোনা যুদ্ধ লড়ব।”
করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের মধ্যেই এসে পড়েছে তৃতীয় ঢেউয়ের অশনি আর সেই দিকে তাকিয়ে শীঘ্রই ৪০শয্যায় রূপান্তরিত করা হচ্ছে এই সেফ হোমকে। এছাড়াও মালঞ্চ, তালবাগিচা এলাকায় যদি কোনও আবাসন পাওয়া যায় তবে সেখানেও একটি করে পৃথক সেফহোম খোলার মানসিক প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছে খড়গপুর কোভিড ভলান্টিয়ার। অসীম নাথ জানিয়েছেন, ” শহরের সমস্ত সমাজসেবী সংগঠন উদ্যোগ নিন অথবা আমাদের সঙ্গে কাজ করতে পারেন। এখনো অবধি ১০০ স্বেচ্ছাসেবক যুক্ত হয়েছেন এই লড়াইতে।”
দ্য খড়গপুর পোষ্ট এই উদ্যোগকে সর্বাত্মক সাধুবাদ জানাচ্ছে। সাথে সাথে শহরের সমস্ত সম্পন্ন নাগরিকদের কাছে আবেদন জানাচ্ছে নিজেদের সাধ্যমত সহযোগিতা নিয়ে এই উদ্যোগের পাশে দাঁড়ান। আপনার সামান্যতম সাহায্যও এই লড়াইকে শক্তিশালী করবে। প্রয়োজনে সেন্ট জনস আ্যম্বুলেন্স ছাড়াও বাকি ১১টি সংগঠনের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন।
অভিরুপ মাইতি, খড়গপুর: দু’টি বিয়ের পরেও ফের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়া, আর তারই জেরে শেষ পর্যন্ত…
লক্ষাধিক টাকার জাল নোট-সহ আটক সপ্তম শ্রেণির মেধাবী ছাত্র। পুলিশ নাবালকের কাছ থেকে ৪ লক্ষ…
বলিউড অভিনেতা সোনু সুদ করোনার সময়ে সাধারণ মানুষের ত্রাতা হয়ে উঠেছিলেন। জুটেছিল বাস্তব জীবনের হিরোর…
নিজস্ব সংবাদদাতা: স্কুল কিংবা টিউশন পড়তে যাওয়ার পথে কিশোরীর দিকে চেয়ে থাকত লোলুপ দু'টো চোখ।…
বিশ্বজিৎ দাস:- ভয়াবহ দুর্ঘটনার হাত থেকে রেহাই পেল ক্যানিং স্টাফ স্পেশাল ট্রেন। তাও মাত্র সাত…
নিজস্ব সংবাদদাতা: লকডাউন কেড়ে নিয়েছে তাঁর এবং স্বামীর পেশা। একরত্তি মেয়ে কে নিয়ে সংসার ভাসছে…