নিউজ ডেস্ক: ৬ মাসের মধ্যেই বিধানসভা নির্বাচন আর তার আগেই কলকাতা পুরসভা। সেমিফাইনাল আর ফাইনাল এই দুই নির্বাচনের মুখে দরাজ রাজ্য সরকার বিভিন্ন শূন্য পদে নিয়োগ করতে চলেছেন। শুধুই শূন্য পদ নয়, সরকারের লক্ষ্য নতুন নতুন পদ তৈরি করে বেকার যুবক যুবতীদের নিয়োগ করা। লক্ষ্য শিক্ষিত, স্বল্প শিক্ষিত এবং উচ্চ শিক্ষিতদের জন্য সরকারি কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে দেওয়া। ফলে নির্বাচনের আগেই বড়সড় সরকারি চাকরির সুযোগ হাজির হচ্ছে। কোথায় কখন কী ভাবে সেই বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হচ্ছে, কী ভাবে আবেদন করবেন, কবে আবেদনের শেষ দিন ইত্যাদি যাবতীয় খুঁটিনাটি বিষয়ে নজর রাখছি আমরা। আপনারা নজর রাখুন আমাদের পোর্টালের ওপর। ‘দ্য খড়গপুর পোষ্ট’ হোয়াটস্যাপ গ্রূপে চলে আসুন নিচে দেওয়া লিংক ক্লিক করে অথবা আমাদের Facebook পেজ লাইক করে রাখুন। আমরা যখন জেগেই আছি তখন শুধু শুধু আপনি আপনার ঘুম নষ্ট করবেন কেন? সকালে উঠুন আর চোখ রাখুন আমাদের ‘কাজের কথা’য়! আজ রাজ্যের PWD নিয়োগ নিয়ে আলোচনা। )
পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পাবলিক ওয়ার্ক্স ডিপার্টমেন্টে অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার (ইলেকট্রিক্যাল) পদে (PWD) নিয়োগ করা হচ্ছে কর্মী। মোট শূন্যপদের সংখ্যা ৩৪টি। অনলাইনে https://wbpsc.gov.in ওয়েবসাইটর মাধ্যমে আবেদন জানাতে হবে ১১ জানুয়ারি থেকে ১ ফেব্রুয়ারির মধ্যে।
শূন্যপদের বিস্তারিত:
৩৪টি শূন্য পদের মধ্যে তপসিলি জাতিদের জন্য ৭টি, তপসিলি উপজাতিদের জন্য ২টি, ওবিসি প্রার্থীদের জন্য (এনএলসি) ৩টি, ওবিসি-বি (এনএলসি)প্রার্থীদের জন্য ২টি, শারীরিক প্রতিবন্ধী প্রার্থীদের জন্য ৩টি আসন সংরক্ষিত রয়েছে।
শিক্ষাগত যোগ্যতা:
আবেদনকারীদের দেশের যে কোনও বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইলেক্ট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ডিগ্রি বা সমতুল্য ডিগ্রি থাকতে হবে। আবেদনকারীর বয়স: আবেদনকারীর বয়স ১ জানুয়ারি, ২০২০ তারিখ পর্যন্ত ৩৬ বছরের মধ্যে হতে হবে। বেতন:
এই পদের বেতন ১৫,৬০০ টাকা থেকে ৪২,০০০ টাকা। এর সঙ্গেই গ্রেড পে বাবদ ৫,৪০০ টাকা।
আবেদন পদ্ধতি:
আবেদনের ফি বাবদ প্রার্থীদের প্রার্থীদের ২১০ টাকা দিতে হবে। তবে তফশিলি জাতি ও উপজাতি প্রার্থীদের এবং শারীরিক প্রতিবন্ধী প্রার্থীদের ক্ষেত্রে এই ফি দিতে হবে না। অনলাইনে ফি দেওয়া যাবে ডেবিট অথবা ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে বা নেট ব্যাঙ্কিংয়ের মাধ্যমে। অফলাইনেও ইউনাইটেড ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার শাখা থেকে ২ ফেব্রুয়ারির মধ্যে আবেদনের ফি জমা দেওয়া যাবে। অনলাইন এবং অফলাইন—সব ক্ষেত্রেই অতিরিক্ত কনভেনিয়েন্স ফি, জিএসটি বা ব্যাঙ্ক চার্জ দিতে হবে।
প্রার্থী বাছাই পদ্ধতি :
প্রার্থী বাছাই করা হবে লিখিত পরীক্ষা ও ইন্টারভিউয়ের মাধ্যমে। দুটি ভাগে লিখিত পরীক্ষা হবে। প্রতিটি ভাগে ১০০ নম্বরের প্রশ্ন থাকবে। লিখিত পরীক্ষা এবং ইন্টারভিউয়ে সফল হতে সাধারণ, ওবিসি, তফশিলি জাতি ও উপজাতি প্রার্থীদের যথাক্রমে ৪০, ৩৮, ৩৫ ও ৩০ শতাংশ নম্বর পেতে হবে। শারীরিক প্রতিবন্ধী প্রার্থীদের ক্ষেত্রে নম্বরে আরও ২ শতাংশ ছাড় পাওয়া যাবে।
ইচ্ছুক প্রার্থীরা উল্লেখিত ওয়েবসাইটে নজর রাখুন। যথাসময়ে আবেদন করুন, চাকরি পাওয়ার এই সুযোগ হাতছাড়া করবেন না যেন।
অভিরুপ মাইতি, খড়গপুর: দু’টি বিয়ের পরেও ফের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়া, আর তারই জেরে শেষ পর্যন্ত…
লক্ষাধিক টাকার জাল নোট-সহ আটক সপ্তম শ্রেণির মেধাবী ছাত্র। পুলিশ নাবালকের কাছ থেকে ৪ লক্ষ…
বলিউড অভিনেতা সোনু সুদ করোনার সময়ে সাধারণ মানুষের ত্রাতা হয়ে উঠেছিলেন। জুটেছিল বাস্তব জীবনের হিরোর…
নিজস্ব সংবাদদাতা: স্কুল কিংবা টিউশন পড়তে যাওয়ার পথে কিশোরীর দিকে চেয়ে থাকত লোলুপ দু'টো চোখ।…
বিশ্বজিৎ দাস:- ভয়াবহ দুর্ঘটনার হাত থেকে রেহাই পেল ক্যানিং স্টাফ স্পেশাল ট্রেন। তাও মাত্র সাত…
নিজস্ব সংবাদদাতা: লকডাউন কেড়ে নিয়েছে তাঁর এবং স্বামীর পেশা। একরত্তি মেয়ে কে নিয়ে সংসার ভাসছে…