ওয়েব ডেস্ক : রাজ্যে সংক্রমণের মাত্রা দিন দিন বাড়ছে। সেই সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে কনটেনমেন্ট জোনের সংখ্যাও। মহানগরী কলকাতার হাল আরও মারাত্বক।রাজ্যে সব থেকে উদ্বেগজনক পরিস্থিতি কলকাতার। স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে খবর, কলকাতায় মোট আক্রান্ত ৩৩৫৬ জন। মারা গিয়েছে ২৮৩ জন। সরকারি তথ্য অনু্যায়ী কলকাতায় মাত্র ১০ দিনে প্রায় তিনগুন বেড়েছে কন্টেনমেন্ট জোন, গোটা রাজ্যে তা দ্বিগুন। তবে এক্ষেত্রে রাজ্য সরকারের অতিরিক্ত ছাড়কেই দায়ী করছেন ওয়াকিবহাল মহল।
রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের রিপোর্ট অনুযায়ী, ২রা জুন রাজ্যের মোট কনটেনমেন্ট জোনের সংখ্যা ছিল ৮৪৪। এখন তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১,৮০৬। ফলে মাত্র ১০ দিনে কনটেনমেন্ট জোনের সংখ্যা বেড়েছে দ্বিগুণের চেয়ে বেশি। ফলে বোঝাই যাচ্ছে কলকাতায় করোনা পরিস্থিতি কতটা মারাত্মক রূপ নিয়েছে। তার ওপর যদি গোটা রাজ্যের চিত্রটা দেখা যায় তবে সেক্ষেত্রেও মোট কনটেনমেন্ট জোনের প্রায় ৬০% রয়েছে কলকাতায়। কলকাতার পাশাপাশি অন্যান্য জেলার অবস্থাও মারাত্মক। সেখানেও অতি দ্রুততার সাথে বাড়ছে কনটেনমেন্ট জোনের সংখ্যা। এমনকি এতদিন পর্যন্ত রাজ্যের যে সকল জেলাগুলি গ্রীন জোন হিসেবেই চিহ্নিত ছিল পূর্ব বর্ধমান, বাঁকুড়া, পুরুলিয়ার মতো জেলাগুলিতেও বাড়ছে কন্টেনমেন্ট জোনের সংখ্যা। এছাড়া কলকাতার পাশাপাশি উত্তর ২৪ পরগণাও এখনও সরকারের মাথা ব্যাথার কারণ। এখানেও দিন দিন ভয়াবহ হচ্ছে সংক্রমণের হার৷ উত্তর ২৪ পরগণায় কনটেনমেন্ট জোনের সংখ্যা ১৪৪ থেকে বেড়ে ২১৯ হয়েছে।
১লা জুলাই থেকেই রাজ্য সরকার লকডাউন অনেকটাই শিথিল করেছে। খুলে দেওয়া হয়েছে সরকারি-বেসরকারি অফিস, বাস-অটো, ধর্মীয় স্থান, দোকান বাজার। বাসে যত আসন তত যাত্রী নিতে বলা হলেও বাস্তবের চিত্রটা ভয়ঙ্কর। স্বাস্থ্যবিধির তোয়াক্কা না করে চাকরি বাঁচাতে বাসে রীতিমতো বাদুর ঝোলা হয়ে অফিস ছুটতে দেখা যাচ্ছে কর্মীদের। অন্যদিকে, মুখ্যমন্ত্রী কন্টেনমেন্ট জোনে লকডাউন বেশ খানিকটা শিথিল করে নির্দেশ দেন, এবার থেকে শুধুমাত্র যে আবাসনে বা বাড়িতে করোনা রোগীর সন্ধান মিলবে শুধুমাত্র সেই জায়গাটিই কন্টেনমেন্ট জোন হিসেবে চিহ্নিত করা হবে। ওই এলাকার রাস্তা কিংবা এলাকাকে কনটেনমেন্ট জোনের আওতায় ফেলা হবে না। মুখ্যমন্ত্রীর এহেন নির্দেশ পাওয়ার পর স্বাভাবিকভাবেই সংক্রমিত এলাকা থেকেও লোক বেড়িয়ে পড়ছেন রাস্তাঘাটে, ফলে এর থেকেই ছড়াচ্ছে সংক্রমণ। অন্যদিকে, রাজ্যের বিভিন্ন জেলাতে ইতিমধ্যেই ১০ লক্ষেরও বেশি পরিযায়ী শ্রমিক ঘরে ফিরেছেন। ফলে সেক্ষেত্রেও যেই জেলাগুলি এতদিন গ্রীন জোনের আওতায় ছিল সেখানেও ধীরে ধীরে বাড়ছে সংক্রমণ। তবে কলকাতায় কনটেনমেন্ট জোনের সংখ্যা বৃদ্ধির জন্য রাজ্য সরকারকেই কাঠগড়ায় তুলছেন ওয়াকিবহাল মহল।
অভিরুপ মাইতি, খড়গপুর: দু’টি বিয়ের পরেও ফের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়া, আর তারই জেরে শেষ পর্যন্ত…
লক্ষাধিক টাকার জাল নোট-সহ আটক সপ্তম শ্রেণির মেধাবী ছাত্র। পুলিশ নাবালকের কাছ থেকে ৪ লক্ষ…
বলিউড অভিনেতা সোনু সুদ করোনার সময়ে সাধারণ মানুষের ত্রাতা হয়ে উঠেছিলেন। জুটেছিল বাস্তব জীবনের হিরোর…
নিজস্ব সংবাদদাতা: স্কুল কিংবা টিউশন পড়তে যাওয়ার পথে কিশোরীর দিকে চেয়ে থাকত লোলুপ দু'টো চোখ।…
বিশ্বজিৎ দাস:- ভয়াবহ দুর্ঘটনার হাত থেকে রেহাই পেল ক্যানিং স্টাফ স্পেশাল ট্রেন। তাও মাত্র সাত…
নিজস্ব সংবাদদাতা: লকডাউন কেড়ে নিয়েছে তাঁর এবং স্বামীর পেশা। একরত্তি মেয়ে কে নিয়ে সংসার ভাসছে…