নিজস্ব সংবাদদাতা: করোনা মোকাবিলায় সরকারের উদ্যোগ সম্পর্কিত মঙ্গলবার জাতির উদ্দেশ্যে তৃতীয় দফার বক্তব্য রাখবেন প্রধানমন্ত্রী। দেশব্যাপী লকডাউনের সময়সীমা আরও একবার বাড়ানোর সম্ভবনা প্রবল। এদিকে লকডাউনে ধুঁকছে দেশ। প্রবল আর্থিক সংকট প্রকট হয়েছে জাতি ও ব্যক্তিগত উভয় স্তরেই। আর এই তীব্র অর্থনৈতিক সংকট থেকে বেরিয়ে আসতে লকডাউনের মধ্যেই কমপক্ষে ১৫ টি শিল্প পুনরায় চালু করার পক্ষে সওয়াল করছে কেন্দ্রীয় বাণিজ্য মন্ত্রক বলে জানা গেছে ।
পাশাপাশি শুধুমাত্র এই ক্ষেত্র গুলির জন্য সমস্ত যান চলাচলের অনুমতিও চাওয়া হয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের কাছ থেকে। এই প্রস্তাব গৃহীত হলে এই তীব্র সংকটে দেশের এই অর্থনৈতিক ধসের উপর কিছু হলেও লাগাম টানা যাবে বলে মত বিশেষজ্ঞদের। বাণিজ্য মন্ত্রকের তরফে প্রাথমিক ভাবে ভারী বৈদ্যুতিন এবং সীমিত ক্রিয়াকলাপ সহ টেলিকম সেক্টর নতুন করে খোলার কথা জানানো হয়েছে। তিন শিফটে সিমেন্ট প্লান্ট গুলিতে কাজ শুরু ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি আবার সচল হতে পারে টেক্সটাইল, অটোমোবাইল, সহ বৈদ্যুতিন শিল্পও। সরকারের বিধিবদ্ধ সতর্কতা মেনে চালু হতে পারে আবাসন ও নির্মাণ ক্ষেত্রের কাজও। পণ্য পরিবহন, রিপেয়ার সার্ভিস,ফলমূল ও শাকসবজির ক্ষেত্রে স্বাভাবিক অবস্থা বজা রাখার কথা ভাবা হচ্ছে বলে শোনা যাচ্ছে।
লকডাউনের বাকি সময়টায় কিছু ক্ষেত্রে উত্পাদন চালু করার ব্যাপারে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রককে পরামর্শ দিল শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রক। লকডাউনে সতর্কতা বজায় রেখেই যাতে উৎপাদন করা যায় সে ব্যাপারে আর্জি জানানো হয়েছে। বাণিজ্য সচিব গুরুপ্রসাদ মহাপাত্র কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে চিঠি লিখে আবেদন’ জানিয়েছেন, এই সময়ে মানুষের হাতে জীবনযাপনের জন্য ন্যূনতম অর্থ দরকার। তা সুনিশ্চিত করতে কিছু ক্ষেত্রের উৎপাদনে অনুমতি দিক সরকার। এদিনই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহী, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং, অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণরা নিজেদের দফতরে কাজে যোগ দিয়েছেন।
গতকালই জানা গিয়েছিল, গোটা দেশকে লাল, কমলা, সবুজ- তিন রঙের জোনে ভাগ করেছে সরকার। সবুজ জোনের ক্ষেত্রে বলা হয়েছিল, যেখানে করোনার প্রকোপ একেবারেই নেই সেই এলাকায় ছোট ও মাঝারি শিল্পে উত্পাদনে ছাড় দেওয়া হবে। তবে সবটাই করতে হবে সোশ্যাল ডিস্টেনসিংয়ের শর্ত মেনে। পর্যবেক্ষকদের মতে, উত্পাদন ব্যবস্থা থমকে যাওয়ার ফলে অর্থনীতিতে ব্যাপক অধোগতি এসেছে।
বিভিন্ন রাজ্যের বাণিজ্যিক সংস্থাগুলি অল্প হলেও উত্পাদন শুরু করতে চাইছে। একদিকে ব্যবসায়ীরাও ব্যাপক ক্ষতির মুখে অন্যদিকে শ্রমিকরাও মজুরি পাচ্ছেন না। গভীর সংকট তৈরি হয়েছে। যদিও মুখ্যমন্ত্রীদের বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন, ‘জান হ্যায় তো জাহান হ্যায়।’ অর্থাত্ জীবন না থাকলে বাকি সবকিছু মূল্যহীন। তাই আগে জীবন বাঁচানোর কাজ করতে হবে। কিন্ত শিল্প বাণিজ্য মন্ত্রকের এই আর্জিতে কেন্দ্র.অনুমোদন দেয় নাকি এখন সেটাই দেখার। মঙ্গলবার হয়ত তার ইঙ্গিত মিলতে পারে প্রধানমন্ত্রীর বক্তৃতা থেকে।
অভিরুপ মাইতি, খড়গপুর: দু’টি বিয়ের পরেও ফের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়া, আর তারই জেরে শেষ পর্যন্ত…
লক্ষাধিক টাকার জাল নোট-সহ আটক সপ্তম শ্রেণির মেধাবী ছাত্র। পুলিশ নাবালকের কাছ থেকে ৪ লক্ষ…
বলিউড অভিনেতা সোনু সুদ করোনার সময়ে সাধারণ মানুষের ত্রাতা হয়ে উঠেছিলেন। জুটেছিল বাস্তব জীবনের হিরোর…
নিজস্ব সংবাদদাতা: স্কুল কিংবা টিউশন পড়তে যাওয়ার পথে কিশোরীর দিকে চেয়ে থাকত লোলুপ দু'টো চোখ।…
বিশ্বজিৎ দাস:- ভয়াবহ দুর্ঘটনার হাত থেকে রেহাই পেল ক্যানিং স্টাফ স্পেশাল ট্রেন। তাও মাত্র সাত…
নিজস্ব সংবাদদাতা: লকডাউন কেড়ে নিয়েছে তাঁর এবং স্বামীর পেশা। একরত্তি মেয়ে কে নিয়ে সংসার ভাসছে…