TRENDS

দেশের বিখ্যাত ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজগুলিতে ভর্তির সুযোগ করিয়ে দেওয়ার নামে জালিয়াতি, গ্রেপ্তার আইআইটি ও এনআইটির ৪ স্নাতক সহ ৬

Chandramani Saha

নিজস্ব সংবাদদাতা: আইআইটি, এনআইটি সহ দেশের বিখ্যাত ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ বিশ্বিদ্যালয় গুলিতে ভর্তির জন্য প্রবেশিকা পরীক্ষায় পাশ করিয়ে দেওয়ার বিনিময়ে মোটা অংকের টাকা নেওয়ার অভিযোগে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি বা এনআইটি আর ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলনজি বা আইইটির চার সদ্য স্নাতক সহ চারজন প্রতারককে গ্রেপ্তার করল বিহার পুলিশ। জানা গেছে সদ্য হায়ার সেকেন্ডারি পাশ করা পড়ুয়াদের ন্যাশনাল এলিজেবিলিটি কাম এন্টার্স টেস্ট বা এনইইটি পাশ করিয়ে দেওয়ার নাম করে এরা মোটা অংকের টাকা নিত বলে জানা গেছে। রবিবার পাটনার একটি বহুতল থেকে ৩ জন এনআইটি ও ১ আইআইটি গ্র্যাজুয়েট ও আরও ২ জনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

ধৃতদের কাছ থেকে ৪টি ল্যাপটপ, একটি সিপিইউ, ১০টি মোবাইল, ৫টি ড্রাইভ, ২টি হার্ড ডিস্ক, ৮টি চেক বই, ৬ লাখ টাকার ২টি চেক, প্রচুর মাধ্যমিক পাশ সার্টিফিকেট এবং একটি মোটরসাইকেল উদ্ধার হয়েছে। পাটনার বুদ্ধ কলোনি পুলিশ স্টেশন এলাকার বিন্ধ্যাচল এপার্টমেন্ট থেকে এসব উদ্ধার হয়েছে বলে জানা গেছে।

স্থানীয় পুলিশের ডেপুটি পুলিশ সুপার এস.কে প্রভাকর জানিয়েছেন, ধৃতরা হল পাটনা শহরের মারুফগঞ্জ এলাকার উজ্জ্বল কাশ্যপ, পাটনার রমেশ কুমার সিং, নিতেশ কুমার এবং সৌরভ সুমন, ভাগলপুর এলাকার প্রশান্ত কুমার ও রোহিত কুমার। এদের তিনজন দেশের বিভিন্ন এনআইটি থেকে, একজন আইআইটি থেকে এবং বাকি ২জন পাটনার বেসরকারি বিজনেস স্কুল থেকে পাশ করেছে। যদিও পুলিশ কোনও প্রতিষ্ঠানেরই পুরো ঠিকানা জানায়নি।

ডেপুটি পুলিশ সুপার জানিয়েছেন, গোটা জালিয়াতির নায়ক ছিল উজ্জ্বল যে নীট এবং আইআইটি সহ নামীদামী ইঞ্জিনিয়ারিং প্রতিষ্ঠান গুলির প্রবেশিকা পরীক্ষা পাশ করিয়ে দেওয়ার নাম করে মোটা অঙ্কের টাকা নিত যুবক যুবতীদের কাছ থেকে। তল্লাশি চালানোর সময় পুলিশ দিল্লি নির্ভর বড় জালিয়াত অতুল ভাটয়ের সংযোগ সূত্র পেয়েছে। পুলিশের অনুমান উজ্জ্বলের হাত ধরেই পাটনায় তার জালিয়াতির শাখা খুলেছিল।

ডেপুটি পুলিশ সুপার আরও জানিয়েছেন, এরা নীট য়ের মত প্রতিষ্ঠানে সুযোগ পাইয়ে দেওয়ার জন্য ১৫ লক্ষ, অন্য সরকারি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে সুযোগ পাইয়ে দেওয়ার জন্য ৮ লক্ষ আর বিহার পুলিশের সাব ইন্সপেক্টর পদে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার জন্য ৮ লক্ষ টাকা নিয়ে থাকত। এছাড়াও বিভিন্ন সরকারি চাকরিতে সুযোগ করে দেওয়ার নাম করে টাকা নিত এরা। জিজ্ঞাসাবাদের পর আপাতত জেলে রয়েছে এই ৬ প্রতারক।

Chandramani Saha

চন্দ্রমণি সাহা যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী এবং একজন প্রতিশ্রুতিবান সাংবাদিক। গতানুগতিক সংবাদের বাইরে গিয়ে মানবিক আবেদন সম্পন্ন গল্প এবং প্রান্তিক মানুষের জীবনসংগ্রাম তুলে ধরাই তার প্রধান লক্ষ্য। বর্তমানে তিনি The Khargapur Post-এর সম্পাদকীয় বিভাগে কর্মরত।

Home Breaking E - Paper Video Join