ওয়েব ডেস্ক : দেশে করোনা সংক্রমণ ক্রমশ ঊর্ধমুখী। এর জেরে সংক্রমণ এড়াতে ইতিমধ্যেই বন্ধ স্কুল-কলেজ সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। সে অনুযায়ী গত ১৪ মার্চ থেকে বন্ধ ইনস্টিটিউট এবং সময়ের আগেই গ্রীষ্মকালীন ছুটি ঘোষণা করা হয়েছিল ১ এপ্রিল থেকে ৩১ মে পর্যন্ত। কিন্তু লকডাউন না ওঠায় এখনও পর্যন্ত ইনস্টিটিউট খোলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। এই পরিস্থিতিতে নতুন শিক্ষাবর্ষের পরবর্তী সেমেস্টার পুরোপুরি অনলাইনে পরিচালনার সিদ্ধান্ত নিল বম্বে ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি (আইআইটি বম্বে)। কিন্তু এক্ষেত্রে অনেক শিক্ষার্থীদেরই শিক্ষার্থীদের ল্যাপটপ এবং ব্রডব্যান্ড না থাকায় তাদের অনলাইন পরীক্ষা দিতে তাদের নানা সমস্যার মধ্যে পড়তে হতে পারে। শিক্ষার্থীদের এই সমস্যার কথা মাথায় রেখে ল্যাপটপ এবং ব্রডব্যান্ড সংযোগের মতো আইটি হার্ডওয়্যার সরবরাহের জন্য অর্থ সংগ্রহ করতে তহবিল গড়া হয়। অনুদানের মাধ্যমে পাঁচ কোটি টাকা জোগাড় করার লক্ষ্যমাত্রা স্থির করে ইনস্টিটিউট।
বুধবার আইআইটি সেনেট জানান, করোনা সংক্রমণের ভয়াবহ পরিস্থিতিতে এই মূহুর্তে শিক্ষার্থীদের শশরীরে পরীক্ষা নেওয়া কোনোভাবেই সম্ভব নয়। সেই সমস্যার কথা মাথায় রেখে শিক্ষার্থীদের সুরক্ষার স্বার্থে শারদীয় সেমিস্টার অনলাইনে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় কর্তৃপক্ষ। এবিষয়ে আইআইটি বম্বের ডিরেক্টর সুভাশিস চৌধুরী বলেন, “সেনেটের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী শুধুমাত্র শারদীয় সেমিস্টার অনলাইনে হবে। সেই সাথে অনলাইন ক্লাসগুলিও ভার্চুয়ালি নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে প্রতিটি বক্তৃতার পদ্ধতি কেমন হবে তা কোর্স প্রশিক্ষকরা ঠিক করবেন।
চলতি বছর লকডাউনের আগেই শিক্ষার্থীদের বসন্তকালীন সেমিস্টার চলছিল। আর বেশ কয়েকটি পরীক্ষা বাকি ছিল। সেই সময় করোনা প্রকোপ এতটাই দ্রুত হারে বাড়ছিল যে সেই মূহুর্তে পরীক্ষা বন্ধ হয়ে যায়। এরপর ১৭ মে প্রশাসনের তরফে শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যের কথা ভেবে বসন্তকালীন সেমিস্টার বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় এবং সে সাথে আগের সেমিস্টারের স্কোরের ভিত্তিতে শিক্ষার্থীদের উত্তীর্ণ করার কথা ঘোষণা করা হয়। তবে শিগগিরই শারদীয় সেমিস্টার শুরু হবে। সে অনুযায়ী শিক্ষার্থীদের অনলাইন ক্লাসের জন্য প্রস্তুত করতে নিদারুণ প্রচেষ্টা চালাচ্ছে আইআইটি বম্বে কর্তৃপক্ষ।
এবিষয়ে আইআইটি বম্বের ডিরেক্টর জানান, “প্রান্তিক পরিবার থেকে উঠে আসা পড়ুয়ারা যাতে কোনোরকম সমস্যা ছাড়াই অনলাইন পরীক্ষা দিতে পারে সে উদ্দেশ্যে ইনস্টিটউটের প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা ইতিমধ্যে একটা বড় অঙ্কের অর্থ সাহায্য করেছে। কিন্তু কোনও শিক্ষার্থী যাতে অনলাইন ক্লাস থেকে বঞ্চিত না হয় তা নিশ্চিত করতেই আমাদের আরও অর্থের প্রয়োজন। আয়কর আইনের ৮০ (জি) ধারা অনুসারে যে সমস্ত প্রাক্তনীরা অর্থ প্রদান করেছেন তারা কর ছাড় পাবেন।
অভিরুপ মাইতি, খড়গপুর: দু’টি বিয়ের পরেও ফের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়া, আর তারই জেরে শেষ পর্যন্ত…
লক্ষাধিক টাকার জাল নোট-সহ আটক সপ্তম শ্রেণির মেধাবী ছাত্র। পুলিশ নাবালকের কাছ থেকে ৪ লক্ষ…
বলিউড অভিনেতা সোনু সুদ করোনার সময়ে সাধারণ মানুষের ত্রাতা হয়ে উঠেছিলেন। জুটেছিল বাস্তব জীবনের হিরোর…
নিজস্ব সংবাদদাতা: স্কুল কিংবা টিউশন পড়তে যাওয়ার পথে কিশোরীর দিকে চেয়ে থাকত লোলুপ দু'টো চোখ।…
বিশ্বজিৎ দাস:- ভয়াবহ দুর্ঘটনার হাত থেকে রেহাই পেল ক্যানিং স্টাফ স্পেশাল ট্রেন। তাও মাত্র সাত…
নিজস্ব সংবাদদাতা: লকডাউন কেড়ে নিয়েছে তাঁর এবং স্বামীর পেশা। একরত্তি মেয়ে কে নিয়ে সংসার ভাসছে…