ওয়েব ডেস্ক : দিন কয়েক আগেই তৃণমূলের এক বুথভিত্তিক কর্মী সভায় অনুব্রত মন্ডল স্পষ্টভাবে জানিয়েছিলেন যেই এলাকায় তৃণমূলকে ভোট দেয়নি সেই এলাকাগুলিতে কোনোরকম সরকারি কাজ করা হবে না। বীরভূম জেলা সভাপতির এই মন্তব্যের পর স্বাভাবিকভাবেই দলের অন্দরেই বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। কাজ না হলে ভোট পাবে না তৃণমূল, শুক্রবার সিউড়ির এক বুথভিত্তিক কর্মীসভায় একথা স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন এক মহিলা তৃণমূল কর্মী। শুক্রবার সিউড়ির ১ নম্বর ব্লকের কর্মী সভায় অনুব্রত মণ্ডল ওই এলাকার ভোট পূর্ববর্তী অবস্থা সম্পর্কে জানতে চান৷ সেই সময় এক মহিলা কর্মী সরাসরি বলেন, গ্রামের রাস্তা এবং টিউবওয়েল বহুদিন যাবৎ খারাপ। তাঁর অভিযোগ, দীর্ঘদিন পঞ্চায়েতকে জানিয়েও আদতে কোনো কাজ হয়নি। এরপরই কোনোকিছুর তোয়াক্কা না করে সভায় দাঁড়িয়ে ওই মহিলা তৃণমূল কর্মী কার্যত হুঁশিয়ারির সুরে বলেন, এলাকার মানুষের অসুবিধার প্রতিকার করা না হলে, সামনের বিধানসভা নির্বাচনে শাসকদলকে তিনি তো ভোট দেবেনই না এমনকি গ্রামবাসীরাও তৃণমূলকে ভোট দেবেন না৷
মঙ্গলবার বীরভূমের খয়রাশোলের কর্মী সভার আয়োজন করা হয়েছিল। এদিন সভায় উপস্থিত ছিলেন স্বয়ং বীরভূম জেলা তৃণমূল সভাপতি অনুব্রত মন্ডল। এদিনের বৈঠকে তিনি নাকড়াকোন্দা পঞ্চায়েতের ৫৬ নম্বর বুথ সভাপতি চন্দ্রশেখর বাগদিকে গত নির্বাচনে কেন ওই বুথে ভোট কম পড়েছে এ কথা জিজ্ঞেস করেন। একই সাথে ওই বুথের কারা শাসকদলকে ভোট দেননি তাদের নাম জানতে চান অনুব্রত মণ্ডল। জেলা সভাপতির প্রশ্নের উত্তরে স্বাভাবিকভাবেই মুখার্জি পাড়ার নাম নেন বুথ সভাপতি। এরপরই সেই পাড়ায় সরকারি সমস্ত কাজ বন্ধ করে দেওয়ার নির্দেশ দেন অনুব্রত মণ্ডল।
চলতি মাসের শুরুতে সিউড়ির উত্তর পুরন্দরপুরে কর্মীসভায় অনুব্রত মণ্ডল লোকসভা ভোটে ওই এলাকায় বিজেপি কেন লিড পেয়েছে এই নিয়ে তৃণমূলের এক বুথ সভাপতিকে প্রশ্ন করেন। সেই সময় কথায় কথায় আচমকা অনুব্রত মন্ডলের সাথে বুথ সভাপতির উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় শুরু হয়। সে সময় বুথ সভাপতি জানান, বামফ্রন্ট আমলে ওই এলাকার রাস্তাঘাট যথেষ্ট ভালো ছিল। পাশাপাশি তিনি আরও জানান, মানুষের দাবি না পূরণ করলে লোকসভা নির্বাচনের মতই সামনের বিধানসভা নির্বাচনেও হারবে তৃণমূল। এরপরই বুথ সভাপতিকে রীতিমতো তিরস্কার করে পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্তের নেন অনুব্রত। এমনকি তাকে সভা থেকে বের করে দেওয়া হয়। সঙ্গে সঙ্গে সভা ছেড়ে বেরিয়ে যান ওই তৃণমূলের বুথ সভাপতির অনুগামীরাও। এরপর তাদের অনেক বুঝিয়ে সভায় আনা হয়। এমনকি অনুব্রত মণ্ডল পুনরায় ওই ব্যক্তিকে সভাপতি পদে বহাল করেন। এভাবে অনুব্রত মন্ডলের একের পর এক বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে বিধানসভা নির্বাচনের আগে দলের অন্দরে দলীয় কর্মীদের মধ্যে স্বাভাবিকভাবেই ক্ষোভের সৃষ্টি করছে বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক মহলের একাংশ।
অভিরুপ মাইতি, খড়গপুর: দু’টি বিয়ের পরেও ফের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়া, আর তারই জেরে শেষ পর্যন্ত…
লক্ষাধিক টাকার জাল নোট-সহ আটক সপ্তম শ্রেণির মেধাবী ছাত্র। পুলিশ নাবালকের কাছ থেকে ৪ লক্ষ…
বলিউড অভিনেতা সোনু সুদ করোনার সময়ে সাধারণ মানুষের ত্রাতা হয়ে উঠেছিলেন। জুটেছিল বাস্তব জীবনের হিরোর…
নিজস্ব সংবাদদাতা: স্কুল কিংবা টিউশন পড়তে যাওয়ার পথে কিশোরীর দিকে চেয়ে থাকত লোলুপ দু'টো চোখ।…
বিশ্বজিৎ দাস:- ভয়াবহ দুর্ঘটনার হাত থেকে রেহাই পেল ক্যানিং স্টাফ স্পেশাল ট্রেন। তাও মাত্র সাত…
নিজস্ব সংবাদদাতা: লকডাউন কেড়ে নিয়েছে তাঁর এবং স্বামীর পেশা। একরত্তি মেয়ে কে নিয়ে সংসার ভাসছে…