বিশেষ সংবাদদাতা: তিনি নিজে নিয়মিত নবান্নে গিয়েছেন। বৈঠক করেছেন প্রশাসনিক আধিকারিকের সঙ্গে । মানুষকে সচেতন করতে শহরের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে ঘুরেছেন । করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় কী করা উচিত তা নিয়ে শুধু মাত্র প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও চিকিৎসকদের সঙ্গে নয়, বৈঠক করেছেন বিরোধী দলের নেতাদের সঙ্গেও। আর এই সব বৈঠক ও মানুষকে সচেতন করার জন্য কোনও রকম ভার্চুয়াল বৈঠক করেন নি তিনি । বৈঠক করেছেন মুখোমুখি বসে । মানুষের মাঝে গিয়ে তাদের সচেতন করার কাজ করেছেন। করোনা মোকাবিলা করতে একেবারে সামনে দাঁড়িয়ে লড়াই করছেন তিনি। তাই তিনি নিজে করোনাযোদ্ধা । অন্য কেউ নয়, খোদ নিজে নিজেকেই করোনা যোদ্ধা উপাধি দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি ।
এক জন প্রশাসনের শীর্ষে বসে কী নিজেকেই নিজে উপাধি দিতে পারেন? তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিরোধীরা ।
ঠিক কী বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি? নবান্নে বসে তিনি বলেন , ” আজ না কি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে করোনা ভাইরাস বায়ু বাহিত হতে পারে । তাহলে তো আমরাও আক্রান্ত হতে পারি। আমরাও তো ‘ ফ্রন্টলাইন ওয়ারিয়র’। এই সঙ্গে নিজে গত চার মাস ধরে নিয়মিত নবান্নে গিয়ে মুখ্যসচিব, অন্যান্য সচিব ও আধিকারিক, চিকিৎসকদের সঙ্গে পরিস্থিতি মোকাবিলা করার জন্য মুখোমুখি বৈঠক করেছেন, মানুষকে সচেতন করতে শহরে র এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে ঘুরেছেন বলে মন্তব্য করে এবার নিজে নিজেকেই করোনা যোদ্ধা উপাধি দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি ।
তার পরে ই তার সংযোজন, মুখ্যসচিব ও অন্যান্য আধিকারিকরাও কাজ করেছেন । চার মাস ধরে নিয়মিত নবান্নে গিয়েছেন, অফিস করেছেন । তাই শেষ পর্যন্ত নিজের পুরো টিমকে করোনা যোদ্ধা বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী ।
যারা করোনা আক্রান্ত হয়েছিল তাদের অনেকেই সুস্থ হয়ে উঠেছে । তাদের কয়েকজনকে নিয়ে ‘ করোনা ওয়ারিয়র ক্লাব’ গঠিত হয়েছে । তারা বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে এই পরিস্থিতিতে মানুষের আতঙ্কিত না হয়ে কি করা উচিত তা বোঝাবেন ।
গত কয়েক দিনে রাজ্যে করোনা আক্রান্তর সংখ্যা বাড়ছে । বৃহস্পতিবার একদিনেই 1088 জন করোনা আক্রান্ত হওয়ার ও 27 জনের মৃত্যুর কথা জানিয়েছে নবান্ন। এই দিন থেকেই রাজ্যেজুড়ে কনটেনমেনট জোন এলাকায় শুরু হয়েছে কড়া লকডাউন। কিন্তু পরিস্থিতি যে উদ্বেগজনক তা স্বীকার করেছেন রাজ্যের প্রশাসনের শীর্ষ আধিকারিকেরা।
যে ভাবে করোনা সংক্রমণ ও আক্রান্তর সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে এই রাজ্যে তার জন্য মুখ্যমন্ত্রী ও তার দলকে দায়ী করছেন বিরোধীরা। মুখ্যমন্ত্রীর আবেদন, এই সময়ে সবাইকেই মাস্ক পড়তে হবে, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে হবে । যে সব এলাকায় লকডাউনের ঘোষণা করা হয়েছে সেখানে সবাইকেই তা মেনে চলতে হবে ।
আর রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল বিজেপির রাজ্যসভাপতি তথা মেদিনীপুরের সাংসদ দিলীপ ঘোষ মুখ্যমন্ত্রী ও তার দলের ভূমিকার সমালোচনা করে বলেছেন, শুধু মাত্র মুখে কথা বলে করোনা আটকানো যাবে না। কথা না বলে কাজের কাজ করুন । তবেই রাজ্যে করোনা সংক্রমণ কমবে। তার দাবি, কেন্দ্রীয় সরকার যখন লকডাউন জারি করে তখন মুখ্যমন্ত্রী ও তার দলের লোকজন তা মানেন নি। একাধিক জায়গায় অবাধেঘুরে বেড়িয়েছেন । তাই এত করোনা সংক্রমণ এই রাজ্যে।
অভিরুপ মাইতি, খড়গপুর: দু’টি বিয়ের পরেও ফের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়া, আর তারই জেরে শেষ পর্যন্ত…
লক্ষাধিক টাকার জাল নোট-সহ আটক সপ্তম শ্রেণির মেধাবী ছাত্র। পুলিশ নাবালকের কাছ থেকে ৪ লক্ষ…
বলিউড অভিনেতা সোনু সুদ করোনার সময়ে সাধারণ মানুষের ত্রাতা হয়ে উঠেছিলেন। জুটেছিল বাস্তব জীবনের হিরোর…
নিজস্ব সংবাদদাতা: স্কুল কিংবা টিউশন পড়তে যাওয়ার পথে কিশোরীর দিকে চেয়ে থাকত লোলুপ দু'টো চোখ।…
বিশ্বজিৎ দাস:- ভয়াবহ দুর্ঘটনার হাত থেকে রেহাই পেল ক্যানিং স্টাফ স্পেশাল ট্রেন। তাও মাত্র সাত…
নিজস্ব সংবাদদাতা: লকডাউন কেড়ে নিয়েছে তাঁর এবং স্বামীর পেশা। একরত্তি মেয়ে কে নিয়ে সংসার ভাসছে…