আরও জানা গেছে যে লকডাউনের সময় দিঘায় ট্যুরিস্ট কম থাকায় হোটেলে মাত্র ২জন কর্মচারী ছিল। এরমধ্যে ওড়িশাবাসী কর্মচারীটি কয়েকদিন আগেই বাড়ি যায়। বর্তমানে এগরার বাসিন্দা কর্মচারীটি ছিল। সেই শুক্রবার রাতে সুব্রতবাবুকে খেতে দিয়েছিল এবং শনিবার ভোরে খরিদ্দার এলে হোটেলের গেট খুলে দিয়েছিল। এছাড়া হোটেলের নিচের একটি ঘর ভাড়া নিয়ে পান, সিগারেটের দোকান চালাতেন স্থানীয় এক ব্যক্তি। এরাই গতকাল শেষবারের জন্য সুব্রতবাবুকে জীবিত অবস্থায় দেখেছিলেন। পুলিশ এঁদেরকেও জিজ্ঞাসাবাদ করছে। এত্তেলা পাঠানো হয়েছে পার্শ্ববর্তী রাজ্য ওড়িশাবাসী কর্মচারীটিকেও।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সুব্রতবাবুর গলায় দড়ির প্যাঁচ থাকলেও প্রথমে তাকে বালিশ চাপা দিয়ে খুন করা হয় পরে মৃত্যু নিশ্চিত করার জন্য দড়ি দিয়ে গলায় ফাঁস দেওয়া হয় অথবা বিপরীতটাও হতে পারে। ঘরের ভেতরে ধস্তাধস্তির চিহ্ন পাওয়া গেছে। আলমারি ভাঙা হয়েছে এবং লুটপাট করা হয়েছে। যা থেকে প্রাথমিক ভাবে মনে করা হচ্ছে লুটপাটের উদ্দেশ্যেই এই খুন। আশ্চর্য জনক ভাবেই হোটেলের সিসিটিভি ক্যামেরার সঙ্গে সংযুক্ত মূল সার্কিট খুলে নেওয়া হয়েছে। যার ফলে আততায়ী বা আততায়ীদের অবস্থান ধরা পড়েনি। পরিবারের লোকেরা জানিয়েছেন, তাঁদের দু-তিনদিন দিনের মধ্যেই এখানে আসার কথা ছিল এবং তাঁরা আসলে সুব্রতবাবুর বাড়ি যাওয়ার কথা ছিল।সুব্রত বাবুর স্ত্রী শিখা জানিয়েছেন, ওঁর কোনও শত্রু থাকতে পারে এটা উনি বা আমরা কেউই বিশ্বাস করতে পারতাম না। অত্যন্ত অমায়িক মানুষ ছিলেন আমার স্বামী। কারও সঙ্গে ঝগড়া ঝাটি করতে পারতেননা।
পুলিশের মনে কতগুলো ধাঁধার জায়গা রয়েছে। সুব্রতবাবু হোটেলে একা আছেন এটা আততায়ী জানত। আততায়ী এটাও জানত যে স্লাইডিং জানলা খুলে তাঁর কক্ষে প্রবেশ করা যায়। হত্যাকারী এটাও ভালোভাবে জানত যে সিসিটিভির রিসিভারটি কোথায় রয়েছে যার সার্কিটের সঙ্গে সিসিটিভি ক্যামেরা গুলি সংযুক্ত। আপাতত এই সূত্র ধরেই শুরু হয়েছে তদন্ত। হোটেলের মানচিত্রের সঙ্গে পুঙ্খানুপুঙ্খ পরিচিত যে মানুষটি এরমধ্যে রয়েছে তারই সন্ধানে তদন্ত শুরু হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পেলে কাজটা অনেক সহজ হয়ে যাবে বলেই পুলিশ মনে করছে।
অভিরুপ মাইতি, খড়গপুর: দু’টি বিয়ের পরেও ফের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়া, আর তারই জেরে শেষ পর্যন্ত…
লক্ষাধিক টাকার জাল নোট-সহ আটক সপ্তম শ্রেণির মেধাবী ছাত্র। পুলিশ নাবালকের কাছ থেকে ৪ লক্ষ…
বলিউড অভিনেতা সোনু সুদ করোনার সময়ে সাধারণ মানুষের ত্রাতা হয়ে উঠেছিলেন। জুটেছিল বাস্তব জীবনের হিরোর…
নিজস্ব সংবাদদাতা: স্কুল কিংবা টিউশন পড়তে যাওয়ার পথে কিশোরীর দিকে চেয়ে থাকত লোলুপ দু'টো চোখ।…
বিশ্বজিৎ দাস:- ভয়াবহ দুর্ঘটনার হাত থেকে রেহাই পেল ক্যানিং স্টাফ স্পেশাল ট্রেন। তাও মাত্র সাত…
নিজস্ব সংবাদদাতা: লকডাউন কেড়ে নিয়েছে তাঁর এবং স্বামীর পেশা। একরত্তি মেয়ে কে নিয়ে সংসার ভাসছে…