মন্ডল জানিয়েছেন, ” চরম দুশ্চিন্তায় দিন কেটেছে হলদিয়াবাসীর। বি.সি.রায় হাসপাতালে উপযুক্ত পরিকাঠামো থাকায় এখানে ভেন্টিলেশন ও আইসিইউ যুক্ত কোভিড ওয়ার্ড চালুর জন্য রাজ্য সরকারের কাছে আগেই আবেদন করেছিলাম। আশঙ্কাজনক অবস্থায় করোনা রোগীদের হলদিয়া থেকে পাঁশকুড়া পাঠানোর পথে অনেকেরই মৃত্যু হয়েছে।
লাহিড়ী আরও পরিস্কার করে দিয়েছেন যে, “রাজ্য সরকারের স্বাস্থ্যসাথী কার্ড ধারকরাও এখানে কোভিড চিকিৎসার সুবিধা নিতে পারবেন। কোনও রোগীকেই আমরা ফেরাবো না এই নীতি নিয়েই আমরা করোনা চিকিৎসা পরিষেবা দেব।”
কোভিড হাসপাতাল শুরু হওয়ায় স্বস্তির নিঃশ্বাস নিয়েছেন শিল্পসংস্থাগুলির কর্তারাও। হলদিয়ার বন্দর ও শিল্পাঞ্চলে একটি উন্নতমানের করোনা হাসপাতাল না থাকায় তীব্র আশঙ্কায় ছিলেন তাঁরাও। তাদের পক্ষ থেকেও বারবার প্রশাসনের কাছে নানাভাবে বার্তা পাঠানো হয়েছিল হলদিয়াতে একটি উন্নত কোভিড হাসপাতাল করার জন্য। পূর্ব মেদিনীপুর জেলা প্রশাসনের তরফেও রাজ্যের স্বাস্থ্যদপ্তরকে আর্তি জানানো হয়। যেহেতু সরকারের নিজস্ব কোনও পরিকাঠামো ছিলনা তাই বি.সি.রায়কেই একবার বেছে নেওয়া হয়েছিল কোভিড হাসপাতালের জন্য কিন্তু কোনও এক অজ্ঞাতকারনে সেই প্রক্রিয়া বাধা প্রাপ্ত হয়েছে বারংবার। নির্বাচনের পর নতুন করে সরকার ক্ষমতায় আসার পর সেই বাধা কাটল।
শিল্প সংস্থাগুলির এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, “করোনার তৃতীয় ঢেউয়ের মুখে একটা বড় মনোবল পাওয়া গেল এই হাসপাতালকে ঘিরে। দুশ্চিন্তার মেঘ কেটে গেল আমাদের। এই সময়ে দাঁড়িয়ে যখন অতিমারির আরও প্রবল হতে পারে তৃতীয় ঢেউয়ের ধাক্কায়। তখন হলদিয়ায় এই করোনা হাসপাতাল চালুকে আমি ২০বছর আগের পেট্রোক্যাম চালুর মতই উল্লেখ যোগ্য ঘটনা বলে মনে করি। সেদিন পেট্রোক্যামের হাতধরে হলদিয়া ও তার আশেপাশের মানুষেরা দুবেলা পেটভরে খাওয়ার স্বপ্ন দেখেছিলেন আজ এই করোনা হাসপাতাল তাঁদের অতিমারির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সাহস জোগাবে।”
উল্লেখ্য হলদিয়া শিল্পাঞ্চল ও গ্রামীণ এলাকার পাশাপাশি মহিষাদলকে যুক্ত করলে প্রায় ৮লক্ষ মানুষের ভরসাস্থল হয়ে উঠল এই করোনা হাসপাতালটি। দ্বিতীয় ঢেউয়ে পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় সর্বাধিক আক্রান্ত হয়েছে এই হলদিয়া এলাকাই। গত ফেব্রুয়ারিকে যদি করোনার দ্বিতীয় ঢেউ শুরুর মাস ধরা হয় তবে সেই সময় থেকে এখনও অবধি অর্থাৎ ৪মাসে শুধুমাত্র হলদিয়া পৌর এলাকায় আক্রান্ত হয়েছেন ১৪০০জন এবং মৃত্যু হয়েছে ৩৪জনের। নিশ্চিতভাবেই এই মৃত্যুর সিংহভাগই ঠেকানো যেত যদি এরকম একটি হাসপাতাল থাকত। স্বাভাবিক ভাবেই করোনা হাসপাতাল চালু হওয়ায় স্বস্তিতে হলদিয়া ও তার আশেপাশের বাসিন্দারা।
অভিরুপ মাইতি, খড়গপুর: দু’টি বিয়ের পরেও ফের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়া, আর তারই জেরে শেষ পর্যন্ত…
লক্ষাধিক টাকার জাল নোট-সহ আটক সপ্তম শ্রেণির মেধাবী ছাত্র। পুলিশ নাবালকের কাছ থেকে ৪ লক্ষ…
বলিউড অভিনেতা সোনু সুদ করোনার সময়ে সাধারণ মানুষের ত্রাতা হয়ে উঠেছিলেন। জুটেছিল বাস্তব জীবনের হিরোর…
নিজস্ব সংবাদদাতা: স্কুল কিংবা টিউশন পড়তে যাওয়ার পথে কিশোরীর দিকে চেয়ে থাকত লোলুপ দু'টো চোখ।…
বিশ্বজিৎ দাস:- ভয়াবহ দুর্ঘটনার হাত থেকে রেহাই পেল ক্যানিং স্টাফ স্পেশাল ট্রেন। তাও মাত্র সাত…
নিজস্ব সংবাদদাতা: লকডাউন কেড়ে নিয়েছে তাঁর এবং স্বামীর পেশা। একরত্তি মেয়ে কে নিয়ে সংসার ভাসছে…