ওয়েব ডেস্ক : করোনায় সংক্রমিত সুস্থ রোগীদের সামাজিক স্বাস্থ্যের কথা মাথায় রেখে নয়া সিদ্ধান্ত নিল রাজ্য সরকার। এবার থেকে করোনা রোগী সুস্থ হয়ে গেলে তাদের ডিসচার্জ সার্টিফিকেটে স্পষ্টভাবে ‘নেগেটিভ’ লিখে দেওয়া বাধ্যতামূলক করা হল। স্বাস্থ্য ভবনের তরফে শুক্রবার এই সংক্রান্ত একটি নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে৷ তাতে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, যেহেতু করোনা রোগীরা সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরলে অনেকক্ষেত্রেই তাদের সমাজে নানাভাবে হেনস্তার শিকার হতে হচ্ছে, সেকারণে রাজ্য সরকারের তরফে এবার থেকে করোনায় সুস্থ প্রত্যেক রোগীর ডিসচার্জ সার্টিফিকেটে ‘নেগেটিভ’ শব্দটা উল্লেখ করতে হবে৷ এর ফলেরোগী ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা প্রায়শই প্রতিবেশীদের দ্বারা যে ধরণের সমস্যায় সম্মুখীন হচ্ছে তা থেকে মুক্তি মিলবে বলেই মনে করা হচ্ছে।
করোনা আবহে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় একই চিত্র ধরা পড়ছে৷ অনেকক্ষেত্রেই দেখা গিয়েছে রোগীরা সুস্থ হয়ে গিয়েছেন। তাদের কাছে হাসপাতালের ডিসচার্জ সার্টিফিকেটও রয়েছে। কিন্তু যেহেতু তাতে সুস্থতার বিষয়ে কিছু লেখা নেই সে কারণে তাঁকে বাড়িতে ঢুকতে দিচ্ছেন না প্রতিবেশীরা। তাদের দাবি, রোগী যে করোনায় সুস্থ তা হাসপাতাল থেকে লিখে আনতে হবে। কয়েকদিন আগে এমনই ঘটনা ঘটেছিল খাস কলকাতার দমদম পার্ক এলাকায়। এরপরই সরকারের তরফে এদিন সামাজিক সচেতনতার কথা মাথায় রেখে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। একইসাথে রোগীর সামাজিক ও ব্যক্তিগত সুরক্ষার স্বার্থে রাজ্য সরকারেএ তরফে আরও বেশ কিছু নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শুধুমাত্র রোগী নয় প্রতিবেশীদের সন্তুষ্টির কথাও ভাবা হয়েছে। একই সাথে রোগীর নিরাপত্তাও ক্ষেত্রেও কোনও গাফিলতি মেনে নেওয়া হবে না বলেই জানানো হয়।
কিছুদিন আগেই দমদম পার্ক এলাকার বাসিন্দা এক বৃদ্ধ করোনায় আক্রান্ত হন। কয়েকদিন পর তাঁর রিপোর্ট নেগেটিভ ওই বৃদ্ধ ঘরে ফেরেন। কিন্তু সেখানেই বিপত্তি। বাড়ি ঢোকার কয়েক মুহূর্ত আগে ওই বৃদ্ধকে বাড়িতে ঢুকতে বাধা দেন প্রতিবেশীরা। তাদের দাবি, ওই বৃদ্ধ যে সত্যিই সুস্থ তা হাসপাতাল থেকে লিখিয়ে না আনলে বাড়িতে ঢুকতে দেওয়া হবে না। পরিবারের তরফে বারংবার বিষয়টি বুঝিয়ে বলার চেষ্টা করা হলেও তাদের কথা কেউ শুনতে চায়না। নিজেদের দাবিতেই অনড় থাকে প্রতিবেশীরা। এইভাবে ৫ ঘণ্টা অ্যাম্বুল্যান্সেই বসিয়ে রাখা হয় করোনামুক্ত ওই বৃদ্ধকে। একেই শরীর দূর্বল তারওপর এতক্ষণ অ্যাম্বুল্যান্সের মধ্যে বসে থাকার ফলে ফের সেখানেই অসুস্থ হয়ে পড়েন ওই বৃদ্ধ। শুধু দমদম পার্ক নয়, করোনা সংক্রমণ শুরুর সময় থেকে এই একই ঘটনা ঘটে চলেছে রাজ্যের একাধিক জেলায়। প্রায় প্রতিদিনই নানা ঘটনা সামনে আসছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এ নিয়ে বহুবার আবেদন করেছেন। তাতে কার্যত কোনও লাভ হয়নি। সেই কারণেই অবশেষে এই নির্দেশ দিল রাজ্য সরকার।
অভিরুপ মাইতি, খড়গপুর: দু’টি বিয়ের পরেও ফের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়া, আর তারই জেরে শেষ পর্যন্ত…
লক্ষাধিক টাকার জাল নোট-সহ আটক সপ্তম শ্রেণির মেধাবী ছাত্র। পুলিশ নাবালকের কাছ থেকে ৪ লক্ষ…
বলিউড অভিনেতা সোনু সুদ করোনার সময়ে সাধারণ মানুষের ত্রাতা হয়ে উঠেছিলেন। জুটেছিল বাস্তব জীবনের হিরোর…
নিজস্ব সংবাদদাতা: স্কুল কিংবা টিউশন পড়তে যাওয়ার পথে কিশোরীর দিকে চেয়ে থাকত লোলুপ দু'টো চোখ।…
বিশ্বজিৎ দাস:- ভয়াবহ দুর্ঘটনার হাত থেকে রেহাই পেল ক্যানিং স্টাফ স্পেশাল ট্রেন। তাও মাত্র সাত…
নিজস্ব সংবাদদাতা: লকডাউন কেড়ে নিয়েছে তাঁর এবং স্বামীর পেশা। একরত্তি মেয়ে কে নিয়ে সংসার ভাসছে…