নিউজ ডেস্ক :-এবার দানবাকৃতির এক হাঙর নিয়ে হৈ-চৈ পড়ে গেল দিঘায়। সোমবার দিঘা মোহনা মাছের বাজারে সেই হাঙরকে ঘিরে মৎসজীবীদের পাশাপাশি উৎসাহের ঢল নামতে দেখা গেল পর্যটকদের মধ্যে। এমনিতেই গভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে যাওয়া মৎস্যজীবীদের জালে বিশালাকার ভেটকি জাতীয় মাছ উঠে আসার ঘটনা অহরহই সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ হতে দেখা যায়, হাঙরও যে মাঝে মধ্যে উঠে আসেনা এমনটা নয় কিন্তু ৬০০ কেজির হাঙর এযাবৎ কালে পড়েছে বলে কেউ মনে করতে পারছেনা।
দানবাকৃতির সেই হাঙর বাজারে এসেছে জানার পরই পর্যটকরা ছুটতে থাকেন মোহনা বাজারের দিকে। অনেককেই দেখা যায় হাঙরের সঙ্গে সেলফি তুলতেও।সোমবার গভীর সমুদ্র থেকে মাছ ধরে ফিরে আসা ট্রলার থেকে মাছটিকে নামিয়ে পাড়ে তুলতে রীতিমত হিমশিম খেতে হয়েছে মৎসজীবীদের। টেনে টুনে প্রায় ঘন্টা খানেক কসরতের পর দেড় ডজন জেলের হাঙরটিকে পাড়ে আনতে সক্ষম হন।
সকালের দিকে যে সমস্ত পর্যটক সৈকতে ছিলেন তাঁরা চোখ জুড়িয়ে সেই দানবাকৃতির হাঙর দেখেন। তাঁদের কাছ থেকেই মোবাইল মারফৎ জানতে পারেন হোটেলগুলির বাকি পর্যটকরা। তাঁরা এরপর ছুটে যান মোহনা বাজারে কারন হাঙর ততক্ষনে বাজারে ঢুকে নিলামে উঠে গেছে। ভিড় উপচে পড়ে বাজারে। চলে সেলফি তোলার জন্য হুড়োহুড়ি। ওজন আনুমানিক ৬০০ কেজি।
দানবাকৃতির মাছটি কেনার জন্যও অনেক মৎস্য ব্যাবসায়ী লাইন দেয়। শুরু হয় নিলাম। শেষ পর্যন্ত ৬০০ কেজি ওজনের এই হাঙর প্রায় ১৩৩টাকা কেজি ধরে কে ৮০ হাজার টাকা দিয়ে কিনে নেন সিরাজ খান নামে এক স্থানীয় মৎস্য ব্যাবসায়ী। কলকাতার নামি দামি হোটেল গুলিতে হাঙরের চাহিদা প্রচুর।
খুচরো বাজারে নিদেন পক্ষে ২০০টাকা কেজি দরে হাঙরের মাংস বিক্রি হয়। এছাড়াও হাঙরের তেল, চর্বি আলাদা করে বিক্রি হবে। এক দামি হোটেলের মালিক জানিয়েছেন, প্লেট হিসাবে যখন এই হাঙর ক্রেতার পাতে পড়বে তার দাম ধরলে হাঙরটি প্রায় ৫লক্ষ টাকার বাজার তৈরি করবে। ওই ব্যবসায়ীর মতে এই হাঙর থেকে ৫০০ কেজি মত মাংস মিলবে। ২০০গ্রাম মাংসের রান্না করা একটি প্লেট ২০০ টাকায় বিক্রি হয়।
অভিরুপ মাইতি, খড়গপুর: দু’টি বিয়ের পরেও ফের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়া, আর তারই জেরে শেষ পর্যন্ত…
লক্ষাধিক টাকার জাল নোট-সহ আটক সপ্তম শ্রেণির মেধাবী ছাত্র। পুলিশ নাবালকের কাছ থেকে ৪ লক্ষ…
বলিউড অভিনেতা সোনু সুদ করোনার সময়ে সাধারণ মানুষের ত্রাতা হয়ে উঠেছিলেন। জুটেছিল বাস্তব জীবনের হিরোর…
নিজস্ব সংবাদদাতা: স্কুল কিংবা টিউশন পড়তে যাওয়ার পথে কিশোরীর দিকে চেয়ে থাকত লোলুপ দু'টো চোখ।…
বিশ্বজিৎ দাস:- ভয়াবহ দুর্ঘটনার হাত থেকে রেহাই পেল ক্যানিং স্টাফ স্পেশাল ট্রেন। তাও মাত্র সাত…
নিজস্ব সংবাদদাতা: লকডাউন কেড়ে নিয়েছে তাঁর এবং স্বামীর পেশা। একরত্তি মেয়ে কে নিয়ে সংসার ভাসছে…