নিউজ ডেস্ক: এতদিন শিক্ষক পদপ্রার্থী, শিক্ষাকর্মী, এমনকি শিক্ষক শিক্ষিকাদের বিক্ষোভ দেখেছে রাজ্য। লাইব্রেরিয়ান, করনিকরাও বিক্ষোভে নেমেছেন নিজেদের দাবি দাওয়া নিয়ে। গত এক মাস পেরিয়েও চলছে কলেজের অস্থায়ী আশিক্ষক কর্মীদের বিক্ষোভ অবস্থান। কিন্তু এই প্রথম রাজ্যে পথে নামতে চলেছেন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলির প্রধানরা। স্কুল এবং মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক শিক্ষিকা গণ ধর্নায় বসতে চলেছেন। বেতন বৈষম্য, বঞ্চনা ও অমর্যাদা সহ বেশ কিছু দাবি দাওয়ার ভিত্তিতে এই অবস্থান বিক্ষোভ কর্মসূচি বলেই জানা গেছে।
১০ই ডিসেম্বর, আন্তর্জাতিক মানবাধিকার রক্ষা দিবস উদযাপন উপলক্ষ্যে সল্টলেকের করুণাময়ী ভবন ও ময়ূখ ভবনের মাঝে মেলা প্রাঙ্গণের সামনে রাজ্যের সাড়ে বারো হাজার হাই স্কুল ও মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক- শিক্ষিকাগণ স্বাধীকার ও মর্যাদা রক্ষা এবং বেতন বৈষম্য সহ নানান ইস্যুকে সামনে রেখে এই অবস্থান বিক্ষোভ কর্মসূচিতে অংশ নেবেন, যা চলবে সকাল ১১ টা থেকে বেলা ২ টা পর্যন্ত। সেইসাথে ডেপুটেশন প্রদান করা হবে মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী, শিক্ষামন্ত্রী, বিকাশ ভবনের শিক্ষা দপ্তরের প্রধান সচিব, কমিশনার অফ স্কুল এডুকেশন এবং মধ্য শিক্ষা পর্ষদের সভাপতির নিকট।
দাবি গুলির মধ্যে রয়েছে তাঁদের সর্বক্ষণ শিক্ষা বহির্ভূত কাজে নিযুক্ত রাখা, প্রশাসনিক বদলির নামে শাস্তি এবং প্রতিহিংসামূলক বদলির আদেশ দেওয়া বন্ধ করা, মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার সূচি ঘোষণা করা, ১০ জনের বেশি প্রধান শিক্ষক-শিক্ষিকা এই অতিমারীর সময় মিড ডে মিল সহ বিদ্যালয়ের যাবতীয় সরকারী প্রকল্পের কাজ অক্ষুণ্ন রাখতে গিয়ে শহীদ হয়ে করোনা যোদ্ধার স্বীকৃতি না পাওয়া, সরকারী প্রধান শিক্ষক শিক্ষিকা গণের সঙ্গে একই সরকারের অধীন সরকার স্পনসর অথবা সাহায্যপ্রাপ্ত বিদ্যালয়ের এবং মাদ্রাসা প্রধান শিক্ষক শিক্ষিকাদের বেতন বৈষম্য সমাধানে।
এর পাশাপাশি বিদ্যালয়ে দীর্ঘদিন রাজনৈতিক ভাবে বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটি গঠন করার ফলে বিদ্যালয় পরিবেশের অচলাবস্থা, স্বাস্থ্য সাথীর পরিবর্তে সরকারি হেল স্কিমের আওতায় রাখা, নির্বাচনী কাজে প্রধান শিক্ষক-শিক্ষিকাগণকে ব্যবহার না করা, কোভিড প্রটোকল মেনে বিদ্যালয় এবং মাদ্রাসাগুলিতে পঠন-পাঠন অবিলম্বে চালু করা, সরকারি আমলাদের অকারণ হেনস্থা বন্ধ করা ইত্যাদি সকল দাবী-দাওয়া নিয়েই প্রধান শিক্ষক-শিক্ষিকারা এদিন ধর্নায় বসতে চলেছেন।
স্টেট ফর্ম অফ হেডমাস্টার অ্যান্ড হেডমিস্ট্রেসেস পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য কমিটির সাধারন সম্পাদক শ্রী চন্দন কুমার মাইতি জানান, সরকারের নিকট তাঁদের এই সকল দাবীগুলো পৌঁছে দিতেই এই পথ বেছে নিয়েছেন তাঁরা। এর পাশাপাশি তিনি এও জানান, তাঁদের এই সংগঠন পুরোপুরি অরাজনৈতিক।
অভিরুপ মাইতি, খড়গপুর: দু’টি বিয়ের পরেও ফের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়া, আর তারই জেরে শেষ পর্যন্ত…
লক্ষাধিক টাকার জাল নোট-সহ আটক সপ্তম শ্রেণির মেধাবী ছাত্র। পুলিশ নাবালকের কাছ থেকে ৪ লক্ষ…
বলিউড অভিনেতা সোনু সুদ করোনার সময়ে সাধারণ মানুষের ত্রাতা হয়ে উঠেছিলেন। জুটেছিল বাস্তব জীবনের হিরোর…
নিজস্ব সংবাদদাতা: স্কুল কিংবা টিউশন পড়তে যাওয়ার পথে কিশোরীর দিকে চেয়ে থাকত লোলুপ দু'টো চোখ।…
বিশ্বজিৎ দাস:- ভয়াবহ দুর্ঘটনার হাত থেকে রেহাই পেল ক্যানিং স্টাফ স্পেশাল ট্রেন। তাও মাত্র সাত…
নিজস্ব সংবাদদাতা: লকডাউন কেড়ে নিয়েছে তাঁর এবং স্বামীর পেশা। একরত্তি মেয়ে কে নিয়ে সংসার ভাসছে…