নিজস্ব সংবাদদাতা: মেদিনীপুর শহর থেকে মাত্র কয়েক কিলোমিটার দুরে মেদিনীপুর সদর ব্লকের গোটগেড়িয়া গ্রামেই এদিন একই পরিবারের আক্রান্ত হয়েছেন ৫৮ ও ৪৮ বছরের দম্পত্তি সহ পরিবারের ২৫ ও ১৪ বছরের দুই কন্যা, ১৬বছরের কিশোর ও এক নাবালক। এ যেন এক দুর্গা পরিবার! গুড়গুড়িপাল থানার অন্তর্গত গোটগেড়িয়া গ্রাম। সেই গ্রামেরই একটি কায়ক্লিষ্ট শ্রমজীবী পরিবারের কর্ত্রী দুর্গা স্বয়ং করোনা আক্রান্ত হয়েছেন স্বামী এবং দুই পুত্র কন্যা নিয়ে। সবটাই কাকতলীয়, সবটাই প্রতীকী কিন্তু দেবীপক্ষে এ যেন দারুন অর্থবহ।
অশ্বিনের সংক্রান্তি শেষে কার্ত্তিকের পয়লা। বিশুদ্ধ সিদ্বান্ত মতে মধ্যরাতেই প্রতিপদের ক্ষয় শুরু হয়ে রবিবার দ্বিতীয়ায় পা। সেই মতে শনিবার, ডাক সংক্রান্তি, ১৭অক্টোবর দেবীর মর্ত্যানুগমন। বাঙালির দেবী পর্বতকন্যা পার্বতী একা আসেননা পুত্রকন্যার সাথে নিয়ে আসেন অসুরকুলকেও। বাঙালির কল্পনায় অসুরের বিভিন্ন রূপ, অতিমারি পর্যায়ে সেই রূপে এবার করোনাসুর।
করোনা কালে এবার সর্বাধিক আক্রান্তের শহর মেদিনীপুর, দেবীপক্ষেও তার ব্যতিক্রম হয়নি। প্রতিপদের দু’দিন আগেই ৪৬জন আক্রান্ত নিয়ে করোনাজ্বরে কাবু জেলার প্রাচীন শহর। প্রতিপদেও রেহাই মেলেনি তার। শহর এবং শহর ছাড়িয়ে কাঁসাই উপকূলে এদিন আক্রান্ত ২৩জন। এদিনের আরটি/পিসিআর রিপোর্ট অনুসারে ওই দুর্গা পরিবারে সর্বোচ্চ ৬ জন সহ অমঙ্গলের ছায়া ১৫টি পরিবারে।
১৭তারিখের আরটি/পিসিআর রিপোর্ট1 অনুযায়ী মেদিনীপুর শহরের আবাস এলাকায় আক্রান্ত হয়েছেন ৬০ ও ৫২ বছরের দুই দম্পত্তি। এছাড়াও শহরে একই পরিবারের ৫৬বছর বয়সী পিতা সকন্যা আক্রান্ত হয়েছেন যাঁদের সম্পূর্ণ ঠিকানা উল্লেখিত হয়নি। একই ভাবে ঠিকানা উল্লেখ নেই এমন ৩১, ৩৯ এবং ৪৩ বছরের তিন পুরুষ আক্রান্ত হয়েছেন। তোলাপাড়া ও পাটনাবাজারে ৩০ ও ৩৬ বছরের গৃহবধূ। পাটনাবাজারে আক্রান্ত হয়েছেন ২৮ বছরের এক যুবকও। একই ভাবে আরেক ২৮বছরের যুবক আক্রান্ত হয়েছেন রাজাবাজার এলাকায়।
শহরের সিপাহীবাজার এবং সুকান্তপল্লীতে ৪৫ ও ৪০ বছরের ব্যক্তি আক্রান্ত হয়েছেন। শরৎপল্লীতে আক্রান্ত ৭৯ বছরের বৃদ্ধ, মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি অবস্থায় ৫০বছরের এক ব্যক্তি আক্রান্ত হয়েছেন। শেখপুরায় আক্রান্ত ১৭বছরের কিশোর। এছাড়া মেদিনীপুর শহরের কোল ঘেঁষে কালগাঙে আক্রান্ত হয়েছেন ৫৫বছরের এক মহিলা।
আগামী এক পক্ষ কালেরও বেশি শারদোৎসবের বাংলা। গত দেড়শ বছর এমন ভয়াবহ মহামারি আসেনি বাংলায়। সচেতন ও সতর্কতা বজায় রেখে উৎসবে মেতে ওঠার আহবান জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা কারন এঁদের অনেকেরই অনুমান, পুজোর পর আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে করোনাসুর। সেই কথা মাথায় রেখেই উৎসবের দিনগুলোতে যথা সম্ভব মেদিনীপুর শহরের করোনার আপডেট দেওয়ার চেষ্টা করে যাবে ‘দ্য খড়গপুর পোষ্ট।’ প্রয়াত শিল্পী বিকাশ ভট্টাচার্যের ভাবনায় পরিযায়ী দুর্গা র মৃন্ময়ী রূপ দিয়েছেন পল্লব ভৌমিক। ছবিটি ইন্টারনেট দুনিয়ার সৌজন্যে প্রাপ্ত।
অভিরুপ মাইতি, খড়গপুর: দু’টি বিয়ের পরেও ফের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়া, আর তারই জেরে শেষ পর্যন্ত…
লক্ষাধিক টাকার জাল নোট-সহ আটক সপ্তম শ্রেণির মেধাবী ছাত্র। পুলিশ নাবালকের কাছ থেকে ৪ লক্ষ…
বলিউড অভিনেতা সোনু সুদ করোনার সময়ে সাধারণ মানুষের ত্রাতা হয়ে উঠেছিলেন। জুটেছিল বাস্তব জীবনের হিরোর…
নিজস্ব সংবাদদাতা: স্কুল কিংবা টিউশন পড়তে যাওয়ার পথে কিশোরীর দিকে চেয়ে থাকত লোলুপ দু'টো চোখ।…
বিশ্বজিৎ দাস:- ভয়াবহ দুর্ঘটনার হাত থেকে রেহাই পেল ক্যানিং স্টাফ স্পেশাল ট্রেন। তাও মাত্র সাত…
নিজস্ব সংবাদদাতা: লকডাউন কেড়ে নিয়েছে তাঁর এবং স্বামীর পেশা। একরত্তি মেয়ে কে নিয়ে সংসার ভাসছে…