বিশেষ সংবাদদাতা: লকডাউনের পর ২পর্যটকের মৃত্যুর আশঙ্কা নিয়েই যেন শুরু বাঙালির প্রিয় সমুদ্র স্নান। আনলক-২ পর্বের মাত্র সাড়ে তিনদিনের মাথায় সমুদ্র স্নানের বলি হলেন হাওড়ার এক যুবক, আশঙ্কা করা হচ্ছে মৃত্যু হয়েছে আরও এক যুবকের কারন শনিবার বিকাল অবধি দেহ মেলেনি তাঁর। দিন ২০ আগেই পর্যটকদের জন্য সৈকত ভ্রমনের সুযোগ করে দিয়েছিলেন সরকার কিন্তু করোনা সংক্রমনের আশঙ্কায় স্থানীয় মানুষ বাধা দিয়েছিলেন পর্যটকদের প্রবেশে। অবশেষে দ্বিধা দ্বন্দ্ব কাটিয়ে ১লা জুলাই থেকে পুরোপুরি উন্মুক্ত হয়েছে দিঘা, শঙ্করপুর, মন্দারমনি, তাজপুর। গৃহবন্দী জীবন কাটিয়ে ঢল নামছে সৈকতে। আর তার মাত্র সাড়ে তিনদিনের মাথায় জোড়া মৃত্যুর প্রহর গুনছে সৈকত। একটি দেহ মিলেছে অপরটি নিখোঁজ, সম্ভাব্য মৃত্যুর তালিকায়।
ঘটনা শনিবার দুপুরের, দিঘার সমান্তরাল সমুদ্র সৈকত তাজপুরে যেখানে সমুদ্রস্নানে নেমে তলিয়ে গেলেন হাওড়া ও হুগলির ৩ যুবক। ঘটনায় স্থানীয়দের সহযোগিতায় নুলিয়ারা জীবিত ও মৃত অবস্থায় দুজনকে উদ্ধার করতে পারলেও নিখোঁজ রয়েছে আরও একজন। তার খোঁজ চলছে বলে জানিয়েছেন, মন্দারমণি কোস্টাল থানার ওসি শুভজিৎ সরকার। পুলিশ আধিকারিক সরকার আফসোস করে বলেছেন, ‘ হোটেল-লজ খোলার নির্দেশ থাকলেও করোনা সংক্রামন প্রতিরোধে সমুদ্রস্নানে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছিল। তা সত্বেও সমুদ্রে নেমে বেপরোয়া হয়ে উঠেছিলেন এই ৩ যুবক। তাদের একজন মারা গেছে, একজন নিখোঁজ রয়েছে এবং অপরজনকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। সমুদ্রে স্পিডবোট নামিয়ে নিখোঁজ যুবকের খোঁজ চলছে। তারা মদ্যপান করে সমুদ্রে নেমেছিল কিনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে , মৃত যুবক ২৫ বছরের গোলাম মহম্মদ হাওড়ার শিবপুর ৫ নম্বর পি এম বস্তির বাসিন্দা। আর নিখোঁজ বছর তিরিশের মহম্মদ জুনেদের বাড়ি হাওড়ার টিকিয়াপাড়ায়। জীবিত অবস্থায় উদ্ধার হওয়া উজির আহমেদ থাকেন হুগলির বৈদ্যবাটিতে। উজিরের অবস্থা স্থিতিশীল। শুক্রবার ১০ জনের একটি দলটি দিঘা বেড়াতে আসে যারমধ্যে এই তিনজন চলে এসেছিলেন তাজপুরে। প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ান অনুযায়ী দুপুর সাড়ে ১২ টা নাগাদ সমুদ্রে নেমেছিলেন তাঁরা। প্রায় ২ ঘন্টা সময় ধরে বেপরোয়া সমুদ্রস্নানে মেতে উঠেছিলেন ওই ৩ যুবক। দেড়টা নাগাদ হঠাৎই এক প্রবল ঢেউ ভাসিয়ে সমুদ্রের ভেতরে টেনে নিয়ে ফেলে ৩ জনকেই।
বিষয়টি লক্ষ্য করেই সমুদ্রে ঝাঁপিয়ে পড়েন কয়েকজন ডাব বিক্রেতা ও স্থানীয় মানুষ।। অনেক চেষ্টার পর উদ্ধার হয় উজির। কিন্তু খোঁজ মেলেনি বাকি ২জনের। গভীরে তলিয়ে যায় বাকি ২ জন। স্থানীয় মানুষদের কাছ থেকে বার্তা পেয়েই স্পিড বোট তল্লাশি শুরু করে দেন পুলিশ ও নুলিয়াদের উদ্ধারকারী দল। সমুদ্রের ৫০০ মিটার ভেতরে জলে ভাসতে থাকা দেহ উদ্ধার হয় গোলাম মহম্মদের। যদিও সন্ধে গড়িয়েও দেহ মেলেনি মহম্মদ জুনেদের। পুলিশের আশঙ্কা সেও বলি হয়েছে সমুদ্রের।
অভিরুপ মাইতি, খড়গপুর: দু’টি বিয়ের পরেও ফের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়া, আর তারই জেরে শেষ পর্যন্ত…
লক্ষাধিক টাকার জাল নোট-সহ আটক সপ্তম শ্রেণির মেধাবী ছাত্র। পুলিশ নাবালকের কাছ থেকে ৪ লক্ষ…
বলিউড অভিনেতা সোনু সুদ করোনার সময়ে সাধারণ মানুষের ত্রাতা হয়ে উঠেছিলেন। জুটেছিল বাস্তব জীবনের হিরোর…
নিজস্ব সংবাদদাতা: স্কুল কিংবা টিউশন পড়তে যাওয়ার পথে কিশোরীর দিকে চেয়ে থাকত লোলুপ দু'টো চোখ।…
বিশ্বজিৎ দাস:- ভয়াবহ দুর্ঘটনার হাত থেকে রেহাই পেল ক্যানিং স্টাফ স্পেশাল ট্রেন। তাও মাত্র সাত…
নিজস্ব সংবাদদাতা: লকডাউন কেড়ে নিয়েছে তাঁর এবং স্বামীর পেশা। একরত্তি মেয়ে কে নিয়ে সংসার ভাসছে…