কিন্তু বয়কটের কারন কী? দুটি পরিবারকে বয়কট করা হয়েছে গ্রামের কয়েকটি মানুষের মাঠের ধান আবলীলায় যাতে বাড়ি আনা যায় ছোট গাড়ি বা ঠেলায় করে সেই কারণে তাঁদের কৃষি জমির ওপর দিয়ে জায়গা ছেড়ে দিতে হবে রাস্তা বানানোর জন্য। ওই দুটি পরিবারের বক্তব্য অন্যদের ধান আনার জন্য তারা তাঁদের কৃষি জমি নষ্ট করবেন কেন? এ রাস্তার পরিকল্পনা তো গ্রামের সর্বসাধারনের জন্য নয়। তাহলে নিজেদের সমবৎসরের ধান নষ্ট করবেন কেন? অতএব বয়কট বিশ্বরূপ দাস গোস্বামী আর নকুল চন্দ্র হাইতের পরিবার।
অন্যদিকে কয়েকটি পরিবারের বাস্তুজমির ওপর দিয়ে রাস্তা করতে দিতেই হবে। যাঁদের বাস্তু তাঁরা বলছেন যেটা সরকারি জমিই নয় সেখান দিয়ে রাস্তা হবে কী করে? তাছাড়া এটা তাঁদের পৈতৃক ভিটে। বাড়ির পাশ দিয়ে মানুষ হেঁটে যায় শটকার্ট করার জন্য ঠিক আছে। তাবলে পাকাপাকি রাস্তা! পঞ্চায়েতের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আদালতে গেছেন তাঁরা। আদালত তাঁদের পক্ষেই রায় দিয়েছেন। অতএব বয়কট। বয়কটের শিকার গ্রামের গাঁতাইত পদবি ধারী নরায়নচন্দ্র, বাদল, অশোক, অসিতের পরিবার। বন্ধ চাষবাস, বন্ধ গ্রামের দোকানপাট, টিউশিনি মাস্টার, ১০০দিনের কাজ থেকে শুরু করে গ্রামের মন্দিরে পুজো দেওয়ার অধিকার।
অন্যদিকে প্রায় ১ডজন পরিবার বয়কট আরও এক কারনে। গ্রামের কিছু জমি খাস ঘোষিত হয়েছে সরকারের দ্বারা। উদ্বৃত্ত সেই জমির পাট্টাসত্ত্ব সরকার বিলি করে দিয়েছেন খান দশেক আদিবাসী পরিবার ও জনৈক নারায়ন জানাকে। গ্রামের জমি তাঁরা কেন সত্ত্ব পেয়েছেন তাই বয়কট তাঁরাও। একটি পরিবার জানিয়েছেন তাঁদের বয়কট করা হয়েছে কারন তাঁরা বয়কট হওয়া একটি পরিবারের আমন্ত্রণে বাড়িতে গিয়ে খাওয়া দাওয়া করেছিলেন। যে ৯ মাস বয়সের শিশুকন্যার অন্নপ্রাসন করতে পারা যায়নি তাঁর মা জানালেন, বাড়ির মধ্যেই থাকতে হয় আমাদের। শিশুটিকে নিয়ে একটু পাশের বাড়িতেও যেতে পারিনা। প্রতিবেশীরা মিনতি করে, এসোনা আমাদের বাড়ি, এলে আমরাও বয়কট হয়ে যাব।
কেউ বয়কট হয়ে আছে দেড় বছর, কেউ আবার ৬/৭ মাস। বয়কটের কথা জেনেও স্বীকার করেনা প্রধান, উপপ্রধানরা। ডুঁয়া ১০/১ গ্রাম পঞ্চায়েত সন্তু মন্ডল বলছেন, ‘না, না কেউ বয়কট হয়নি। গ্রামের নিয়ম টিয়ম না মানায় ওদের মন্দিরে যাওয়া নিষেধ করা হয়েছে মাত্র।’ আর যার বিরুদ্ধে মূল অভিযোগ সেই উপপ্রধান এবং ওই গ্রামের পঞ্চায়েত সদস্য গোবিন্দ সামই বলছেন, কোথাও কোনও বয়কট নেই। অভিযোগ ভিত্তিহীন। তৃণমূলের ব্লক নেতাদের দাবি তাঁরা এই বয়কট সমর্থন করেননা কিন্তু গোবিন্দ সামই ওই অঞ্চলের তৃনমূল সভাপতি তাই তাঁকে ঘাঁটাতে চায়না কেউ। আর প্রশাসনের ভাঙা রেকর্ড বেজেই চলেছে, দেখছি, দেখব।
অভিরুপ মাইতি, খড়গপুর: দু’টি বিয়ের পরেও ফের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়া, আর তারই জেরে শেষ পর্যন্ত…
লক্ষাধিক টাকার জাল নোট-সহ আটক সপ্তম শ্রেণির মেধাবী ছাত্র। পুলিশ নাবালকের কাছ থেকে ৪ লক্ষ…
বলিউড অভিনেতা সোনু সুদ করোনার সময়ে সাধারণ মানুষের ত্রাতা হয়ে উঠেছিলেন। জুটেছিল বাস্তব জীবনের হিরোর…
নিজস্ব সংবাদদাতা: স্কুল কিংবা টিউশন পড়তে যাওয়ার পথে কিশোরীর দিকে চেয়ে থাকত লোলুপ দু'টো চোখ।…
বিশ্বজিৎ দাস:- ভয়াবহ দুর্ঘটনার হাত থেকে রেহাই পেল ক্যানিং স্টাফ স্পেশাল ট্রেন। তাও মাত্র সাত…
নিজস্ব সংবাদদাতা: লকডাউন কেড়ে নিয়েছে তাঁর এবং স্বামীর পেশা। একরত্তি মেয়ে কে নিয়ে সংসার ভাসছে…