নিজস্ব সংবাদদাতা: প্রতিবেশী এক যুবকের সাথে পরকীয়া সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছিলেন গৃহবধূ। নিজের এলাকায় ঠিকমত যোগাযোগ করতে পারছিলেন না তাঁরা। তাই পরিকল্পনা করেই গৃহবধূ চলে এসেছিলেন দিদারবাড়ি কিন্তু কাবাব মে হাড্ডির মতই এখানেও বাধা হয়ে দাঁড়ালেন প্রতিবেশীরা। শুধু তাই নয়, রাতভর দুজনকে একই দড়িতে বেঁধে রেখে নজির বিহীন ‘শাস্তি’ দিলেন তাঁরা। পুলিশের তৎপরতায় সকালে দু’জনকে উদ্ধার করা হয়। ঘটনায় উৎসাহী জনতার বে-আইনি ভূমিকা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। কেউ কেউ দাবি করেছেন, যুবতী গৃহবধূর কাছে ঠেসতে পারেনি তাঁর আড়াই বছরের শিশু, মায়ের অভাবে রাতভর কান্নাকাটি করে গেছে শিশুটি। পশ্চিম মেদিনীপুরের দাসপুর থানার ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে ‘পরকীয়ায়’ অভিযুক্ত গৃহবধূ ও ওই যুবকের বাড়ি পার্শ্ববর্তী পূর্বমেদিনীপুর জেলার মালিদা গ্রামে। বুধবার নিজের আড়াই বছরের শিশু সন্তানকে নিয়ে ওই গৃহবধূ এসে পৌঁছান পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার দাসপুর থানার রবিদাসপুরে। এখানে ওই গৃহবধূর দিদাবাড়ি। রাতে ওই বাড়িতে এসে পৌঁছান সেই যুবকও। কেন রাতে ওই যুবক অন্যগ্রাম থেকে এইখানে এল তা নিয়ে সন্দেহ হয় প্রতিবেশীদের।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে কয়েকজন ব্যক্তি ওই বাড়ির সামনে জড়ো হয়ে জিজ্ঞাসাবাদ চালায় দুজনকে। কয়েকজন গ্রামবাসীর বক্তব্য, এরপরই ভেঙে পড়ে নিজেদের মধ্যে অবৈধ সম্পর্ক স্বীকার করে নেন। তারপরই গ্রাম্য নিদানে রাস্তার পাশে থাকা বৈদ্যুতিক বাতিস্তম্ভে রাতভর বেঁধে রাখা হয়। প্রথমে একজনের হাতের সঙ্গে ওপর জনের হাত বেঁধে তারপর দুজনকে বাঁধা হয় বাতিস্তম্ভের সঙ্গে।
বুধবার রাত থেকে বৃহস্পতিবার দিনের আলো ফুটে যাওয়ার অনেক পরও ওই ভাবে বাঁধাই থাকেন তাঁরা।সকালে যুগলের সেই দড়ি বাঁধা হয়ে থাকা ছবি ছড়িয়ে পড়ে সোশ্যাল মিডিয়ায়। পুলিশের নজরেও আসে সেই ছবি। সঙ্গে সঙ্গে তৎপর হয়ে উঠে পুলিশ। ঘটনাস্থলে গিয়ে দু’জনকে উদ্ধার করে। পুলিশও জানিয়েছে রাতভর বেঁধে রাখা হয়েছিল দড়িতে। এক পুলিশ আধিকারিক জানিয়েছেন, ‘ মানুষের কোনও বিষয়ে অভিযোগ থাকলে তাঁরা আমাদের জানাতে পারতেন কিন্তু এভাবে বেঁধে রাখা সম্পূর্ণ বেআইনি। কোনও দুর্ঘটনা ঘটে যেতে পারত।’
ঘটনা অবশ্য শুধু বেআইনি নয়, অমানবিক বটে এই কারনে যে, মহিলার আড়াই বছরের শিশুটি রাতভর মায়ের জন্য কেঁদেছে। সে মায়ের কাছে যেতে পারেনি। কেউই এগিয়ে আসেনি যুগলকে উদ্ধার করতে বরং দেখা গিয়েছে পাশেই চেয়ারে বসে নিজের স্ত্রী সন্তানকে মজা দেখছেন প্রতিবেশী ব্যক্তি। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। কাদের উস্কানিতে এই ঘটনা ঘটল তাঁদের খুঁজে বের করতে চায় পুলিশ। তবে প্রশ্ন এটাও যে এলাকায় এলাকায় সিভিক বা ভিলেজ ভলেন্টিয়ার থাকা স্বত্ত্বেও রাতভরের এই ঘটনা থানা আরও আগে জানতে পারলনা কেন? তাহলে রাতেই উদ্ধার করা যেত তাঁদের।
অভিরুপ মাইতি, খড়গপুর: দু’টি বিয়ের পরেও ফের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়া, আর তারই জেরে শেষ পর্যন্ত…
লক্ষাধিক টাকার জাল নোট-সহ আটক সপ্তম শ্রেণির মেধাবী ছাত্র। পুলিশ নাবালকের কাছ থেকে ৪ লক্ষ…
বলিউড অভিনেতা সোনু সুদ করোনার সময়ে সাধারণ মানুষের ত্রাতা হয়ে উঠেছিলেন। জুটেছিল বাস্তব জীবনের হিরোর…
নিজস্ব সংবাদদাতা: স্কুল কিংবা টিউশন পড়তে যাওয়ার পথে কিশোরীর দিকে চেয়ে থাকত লোলুপ দু'টো চোখ।…
বিশ্বজিৎ দাস:- ভয়াবহ দুর্ঘটনার হাত থেকে রেহাই পেল ক্যানিং স্টাফ স্পেশাল ট্রেন। তাও মাত্র সাত…
নিজস্ব সংবাদদাতা: লকডাউন কেড়ে নিয়েছে তাঁর এবং স্বামীর পেশা। একরত্তি মেয়ে কে নিয়ে সংসার ভাসছে…