নিজস্ব সংবাদদাতা: রাতভর প্রেমিকের বাড়িতে সময় কাটানোর পর তাকে নিয়েই একই দড়িতে ফাঁসিতে ঝুলল প্রেমিকা।বুধবার সকালে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার কেশিয়াড়ী থানার শাঁকমারি গ্রামে উদ্ধার হওয়া ওই যুগলের মৃতদেহদুটিকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে আশেপাশের গ্রামেও। চাঞ্চল্যের প্রধান কারণ এই যে প্রেমিকার পরিচয় জানতে পারা যায়নি। ওই কিশোরীর বাড়ি কোথায় বা তার নাম কিছুই জানা যায়নি।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে মৃত তরুনের নাম পিন্টু সিং, বয়স ১৮বছর। কর্মসূত্রে পিন্টু দিল্লিতে থাকত। সপ্তাহ দুয়েক হল ছুটি কাটাতে বাড়ি এসেছিল। মা-বাবার একমাত্র ছেলে পিন্টু বাড়িতে আসার পর এদিক ওদিক ঘুরতে যেত এবং প্রায়ই দেরি করেই বাড়ি ফিরত সে। মাটির দোতলা বাড়িতে পিন্টু ওপরেই অর্থাৎ দোতালাতেই ঘুমাতো। পিন্টুর বাবা দুর্গা জানিয়েছেন, ‘ওর রাতের খাবার ঢাকা দেওয়াই থাকত। ও ওর মত আসত খাবার খেয়ে ওপরের ঘরে শুতে চলে যেত।’ দুর্গা সিংয়ের বয়ান অনুযায়ী, ‘মঙ্গলবার রাতেও আমার ছেলে কখন এসেছে, কার সঙ্গে এসেছে কিছুই জানিনা। আজ সকালে ছেলে ঘুম থেকে উঠতে কেন দেরি করছে খোঁজ নিতে গিয়ে দেখি তার ঘরে গলায় দড়ি দিয়ে ঝুলছে দুজন।”
ঘটনার পরই খবর পেয়ে পুলিশ এসে মৃতদেহ দুটি উদ্ধার করে প্রথমে বেলদা হাসপাতালে নিয়ে যায়। চিকিৎসকরা মৃত ঘোষনা করার ময়নাতদন্তের জন্য খড়গপুর মহকুমা হাসপাতালে পাঠিয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা যাচ্ছে কিশোরীর পরিচয় এখনও উদ্ধার করা যায়নি। আশেপাশের গ্রামের লোকেরাও তাকে সনাক্ত করতে পারেনি। দুর্গা সিংয়ের বক্তব্য, ছেলের সঙ্গে কোনও মেয়ের প্রেম আছে এটা তারা জানতই না। ঘটনার পরই তারা মেয়েটির কথা জানতে পেরেছে কিন্তু মেয়েটি কোথাকার, কখন এসেছে সে সম্পর্কে তাঁদের কোনও ধারণা নেই। দুর্গা আরও জানিয়েছে, পিন্টু তাঁদের একমাত্র ছেলে তাই সে যদি ওই মেয়েকে বিয়ের কথা বলত তাহলে তাঁরা বাধা দিতেননা।
স্বভাবতই প্রশ্ন উঠেছে দুজনের মধ্যে কী এমন বাধা ছিল যে দু’জনকে আত্মহত্যা করতে হল? প্রশ্ন এটাও যে পিন্টুর পরিবার কী সত্যি কথা বলছে? একটি মেয়ে যাকে কেউ চেনেইনা সেই মেয়েটি নিশ্চিতভাবে স্থানীয় নয় তাহলে সে এই বাড়িতে একা একা আসেনি নিশ্চিত যদি পিন্টু তাকে না নিয়ে আসে। যে ঘরে পিন্টু এবং ওই কিশোরীর মৃতদেহ পাওয়া গেছে সেই ঘরেই একটি বিছানা, কম্বল ইত্যাদি ব্যবহৃত অবস্থাতেই পাওয়া গেছে।
পুলিশ জানিয়েছে, ময়নাতদন্তের পরই অনেকটা রহস্য পরিষ্কার হবে বাকি রহস্য উন্মোচনের জন্য পিন্টুর কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া ফোনটির লক খোলা জরুরি। পুলিশ সেই চেষ্টাই করছে এখন। পুলিশের প্রাথমিকভাবে ধারণা মেয়েটির সঙ্গে বেশ কিছুদিনের পরিচয় ছিল পিন্টুর। রাতে পিন্টুর সাথেই মেয়েটি এসেছিল। সম্ভবতঃ মেয়েটির পরিবার থেকে তাকে তাড়িয়ে দেওয়া হয় অথবা সে নিজেই বাড়ি থেকে বেরিয়ে এসেছিল না ফেরার উদ্দেশ্য নিয়েই
অভিরুপ মাইতি, খড়গপুর: দু’টি বিয়ের পরেও ফের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়া, আর তারই জেরে শেষ পর্যন্ত…
লক্ষাধিক টাকার জাল নোট-সহ আটক সপ্তম শ্রেণির মেধাবী ছাত্র। পুলিশ নাবালকের কাছ থেকে ৪ লক্ষ…
বলিউড অভিনেতা সোনু সুদ করোনার সময়ে সাধারণ মানুষের ত্রাতা হয়ে উঠেছিলেন। জুটেছিল বাস্তব জীবনের হিরোর…
নিজস্ব সংবাদদাতা: স্কুল কিংবা টিউশন পড়তে যাওয়ার পথে কিশোরীর দিকে চেয়ে থাকত লোলুপ দু'টো চোখ।…
বিশ্বজিৎ দাস:- ভয়াবহ দুর্ঘটনার হাত থেকে রেহাই পেল ক্যানিং স্টাফ স্পেশাল ট্রেন। তাও মাত্র সাত…
নিজস্ব সংবাদদাতা: লকডাউন কেড়ে নিয়েছে তাঁর এবং স্বামীর পেশা। একরত্তি মেয়ে কে নিয়ে সংসার ভাসছে…