শুরু থেকেই সংক্রমনের হার বেশি খড়গপুর শহরেই। যেমন গত দুদিন জেলায় মোট আক্রান্ত হয়েছে ১৭২ জন যার মধ্যে খড়গপুর শহরেরই ৪২ জন রয়েছেন। এই ৪২ য়ের মধ্যে আবার ২৩জনই রেল এলাকার। খড়গপুর শহরের প্রায় সর্বত্রই সংক্রমন নজরে পড়েছে। আইআইটি, ডিভিসি, তালবাগিচা, প্রেমবাজার, ইন্দা, সোনামুখি, মালঞ্চ, নিমপুরা, খরিদা সর্বত্রই করোনার দাপট লক্ষ্য করা যাচ্ছে। খড়গপুরের পরেই রয়েছে মেদিনীপুর শহর ও সদর এলাকা। গত ২দিনে যেখানে আক্রান্ত হয়েছেন ৩০জন। এখনও অবধি মেদিনীপুর শহরের অরবিন্দনগর, বিধাননগর, সিপাহীবাজার, কুইকোটা, কর্নেলগোলা, ধর্মা, বড়বাজার, মহাতাপপুর ইত্যাদি এলাকা থেকে একাধিক সংক্রমনের খবর পাওয়া গেছে। শহরের বাকি অংশেও দাপাচ্ছে করোনা।
জেলার দুই বড় শহরের বাইরে গত ২দিনে ঘাটাল, ক্ষীরপাই এবং মোহনপুরে বড়সড় সংক্রমনের খবর পাওয়া গেছে। মোহনপুর এলাকায় ১৭ জন, ঘাটালে ১২জন, দাসপুর ২ ব্লকে প্রায় এক ডজন মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন। ডেবরা এলাকায় ৭ ও ক্ষীরপাইয়ে ৫জন করে আক্রান্ত হয়েছেন বলে খবর পাওয়া গেছে। এছাড়াও গড়াবেতা, গোয়ালতোড়, নারায়নগড়, শালবনী, সবং, চন্দ্রকোনা ইত্যাদি এলাকায় এক বা একাধিক ব্যক্তি আক্রান্ত হওয়ার খবর মিলেছে। সর্বত্রই প্রথম দফার চাইতে দ্বিতীয় দফায় সংক্রমনের হার বেশি নজর করা যাচ্ছে। তবে এরই মধ্যে সঙ্কট হিসাবে হাজির হয়েছে করোনা ভ্যাকসিনের অপ্রতুলতা। শনিবার জেলার বিভিন্ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে মানুষ দীর্ঘক্ষন লাইনে দাঁড়িয়েও ভ্যাকসিন পাননি। কোথাও প্রথম ভ্যাকসিন আবার কোথাও দ্বিতীয় ভ্যাকসিনও পাওয়া যায়নি বলে অভিযোগ উঠেছে।
খড়গপুর শহরের তালবাগিচা ও রাজগ্রাম সহ বিভিন্ন পৌরস্বাস্থ্যকেন্দ্রে মানুষ ভোর থেকে লাইনে দাঁড়িয়েও কোভিডের ভ্যাকসিন না পেয়ে ফিরে গেছেন বলে অভিযোগ করেছেন। যদিও জেলার তরফে জানানো হয়েছে রাজ্য থেকে পর্যাপ্ত ভ্যাকসিন না আসায় প্রথম দফায় ভ্যাকসিন দেওয়া যায়নি কিন্তু যাদের দ্বিতীয় দফায় ভ্যাকসিন পাওয়ার কথা তাঁদের সমস্যা নেই। যদিও তালবাগিচার বাসিন্দা প্রদীপ দাস সহ অনেকেরই অভিযোগ দ্বিতীয় দফার ভ্যাকসিন পাননি তাঁরা। নিয়ে আজও মানুষ নাজেহাল। বিষয়টি নিয়ে রাজগ্রামে বিক্ষোভ দেখান আমরা বামপন্থী সংগঠনের সদস্যরা।
আমরা বামপন্থীর পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে মানুষকে আগে থেকে এবিষয়ে জানানো হলে এই হয়রানির শিকার হতে হতনা। বহু মানুষ ভোর থেকে লাইন দিয়েছেন। তাঁদের আরও অভিযোগ এই প্রচন্ড গরমে মানুষকে ঘন্টার পর ঘন্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে। রোদ থেকে বাঁচানোর জন্য কোনও ছাউনির ব্যবস্থা করা হয়নি যার ফলে অনেকেই অসুস্থ হয়ে পড়তে পারেন। সংগঠনের পক্ষে দাবি করা হয় ভ্যাকসিনের হাল হককিৎ সম্পর্কে পৌরসভার তরফে মানুষকে আগাম জানানো হোক এবং প্রতিটি স্বাস্থ্যকেন্দ্রের সামনে অস্থায়ী ছাউনির ব্যবস্থা করা হোক। রাজগ্রামে অনিল দাস, তালবাগিচায় প্রদীপ ধর প্রমুখরা এই বিক্ষোভে নেতৃত্ব দেন।
অভিরুপ মাইতি, খড়গপুর: দু’টি বিয়ের পরেও ফের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়া, আর তারই জেরে শেষ পর্যন্ত…
লক্ষাধিক টাকার জাল নোট-সহ আটক সপ্তম শ্রেণির মেধাবী ছাত্র। পুলিশ নাবালকের কাছ থেকে ৪ লক্ষ…
বলিউড অভিনেতা সোনু সুদ করোনার সময়ে সাধারণ মানুষের ত্রাতা হয়ে উঠেছিলেন। জুটেছিল বাস্তব জীবনের হিরোর…
নিজস্ব সংবাদদাতা: স্কুল কিংবা টিউশন পড়তে যাওয়ার পথে কিশোরীর দিকে চেয়ে থাকত লোলুপ দু'টো চোখ।…
বিশ্বজিৎ দাস:- ভয়াবহ দুর্ঘটনার হাত থেকে রেহাই পেল ক্যানিং স্টাফ স্পেশাল ট্রেন। তাও মাত্র সাত…
নিজস্ব সংবাদদাতা: লকডাউন কেড়ে নিয়েছে তাঁর এবং স্বামীর পেশা। একরত্তি মেয়ে কে নিয়ে সংসার ভাসছে…