ওয়েব ডেস্ক: ১৭ই মার্চ এ রাজ্যে প্রথম করোনা আক্রান্ত চিহ্নিত হয়েছিল বিদেশ যোগে। ১২ ই আগষ্ট সেই ১ থেকে ১লক্ষ ছড়িয়ে গেল আক্রান্তের সংখ্যা। ৪ মাস ৩ সপ্তাহ ৪ দিনের মাথায় রাজ্যে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়ালো ১ লক্ষ ৪ হাজার ৩২৬ জন। রাজ্যে প্রথম করোনার বলি হয়েছিলেন ৫৭ বছরের দমদমবাসী ব্যক্তি। দিনটা ছিল ২৩ শে মার্চ। প্রথম সেই মৃত্যু থেকে ১২ই আগষ্ট পর্যন্ত সেই মৃত্যু বেড়ে দাঁড়ালো ২২০৩ জনে। মাঝখানে ৪ মাস ২ সপ্তাহ ৫ দিন। মোটা আকারে গড় হিসাব ধরলে মাসে আক্রান্ত হয়েছেন প্রায় ২৬ হাজার আর মৃত্যু ৫৫০ জনের। হিসাব বলছে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা বেড়েই চলেছে। যে হারে এটা বাড়ছে সেই জটিল হিসাব বাদ দিয়ে সোজা সাপ্টা হিসাব ধরলে এবছরের শেষে অন্তত আড়াই লক্ষে পৌঁছে যাবে আক্রান্তের সংখ্যা আর মৃত্যু ৫ হাজার ছুঁয়ে যেতে পারে। এটা মনে রাখা দরকার এই কারনে যে, আনলক পর্বে বড় বেশি বেপরোয়া হয়ে উঠেছেন মানুষ।
গত দু’দিনে রাজ্যে সুস্থ হয়ে উঠছিলেন গড়ে প্রায় ৩ হাজারেরও বেশি মানুষ। ফলে আক্রান্তের তুলনায় রাজ্যে বৃদ্ধি পেয়েছিল সুস্থতার হার। কিন্তু বুধবারের চিত্র ফের উদ্বেগ বাড়ালো রাজ্যের। রাজ্য স্বাস্থ্যদফতরের বুলেটিন অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে সংক্রমিত ২,৯৩৬ জন। এখনও অবধি সুস্থ হয়েছেন ৭৬,১২০ জন। সক্রিয় করোনা আক্রান্ত রয়েছেন ২৬,০০৩ জন। আক্রান্তের হার বাড়লে সুস্থতার হার কমে যাবে তাই সচেতন হওয়া খুবই জরুরি।
গত ২৪ ঘন্টায় শুধুমাত্র কলকাতাতেই মারণ ভাইরাসে সংক্রমিত হয়েছেন ৬১৯ জন। এরপরেই রয়েছে উত্তর ২৪ পরগণার স্থান। এই জেলায় গত ২৪ ঘন্টায় ৫৭৯ জনের শরীরে থাবা বসিয়েছে করোনা। দক্ষিণ ২৪ পরগণায় একদিনে সংক্রমিত হয়েছে ২৫৫ জন। ফলে এই নিয়ে এরাজ্যে মোট সংক্রমিতের সংখ্যা বেড়ে হল মোট ১ লক্ষ ৪ হাজার ৩২৬ জন। যদিও মঙ্গলবার অ্যাকটিভ কেসের সংখ্যাও কমেছিল। তবে বুধবার তা ফের বাড়ল। বর্তমানে বাংলার মোট অ্যাকটিভ কেস ২৬ হাজার ৩। আক্রান্তের সঙ্গে রাজ্যে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে মৃতের সংখ্যা। রাজ্যে একদিনে করোনার বলি ৫৪ জন। তার মধ্যে শুধুমাত্র কলকাতা শহরেই একদিনে প্রাণ হারিয়েছেন ১৯ জন। সবমিলিয়ে রাজ্যে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে হল ২,২০৩ জন।
একদিকে যেমন রাজ্যে লকডাউন, সামাজিক দূরত্ব পালন, অন্যদিকে ট্রেসিং, ট্র্যাকিং, টেস্টিংয়ের মাধ্যমেও করোনাকে নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করা হচ্ছে। ফকে স্বাভাবিকভাবেই বেড়েছে টেস্টিংয়ের সংখ্যা। একদিনে নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ২৭ হাজার ৭১২টি। এখনও পর্যন্ত রাজ্যে মোট স্যাম্পেল টেস্ট হয়েছে ১১ লক্ষ ৮৬ হাজার ৯২৩টি। এদিকে, এদিনই ফের লকডাউনের দিনক্ষণ বদল করেছে রাজ্য সরকার। তবে রাজ্য সরকারের নয়া নির্দেশিকা অনুযায়ী, চলতি মাসের ২৮ আগস্ট বাতিল করা হয়েছে লকডাউন। তার বদলে চলতি মাসের ২০, ২১, ২৭ ও ৩১ আগস্ট বাংলায় সম্পূর্ণ লকডাউন থাকার ঘোষণা করেছে প্রশাসন।
অভিরুপ মাইতি, খড়গপুর: দু’টি বিয়ের পরেও ফের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়া, আর তারই জেরে শেষ পর্যন্ত…
লক্ষাধিক টাকার জাল নোট-সহ আটক সপ্তম শ্রেণির মেধাবী ছাত্র। পুলিশ নাবালকের কাছ থেকে ৪ লক্ষ…
বলিউড অভিনেতা সোনু সুদ করোনার সময়ে সাধারণ মানুষের ত্রাতা হয়ে উঠেছিলেন। জুটেছিল বাস্তব জীবনের হিরোর…
নিজস্ব সংবাদদাতা: স্কুল কিংবা টিউশন পড়তে যাওয়ার পথে কিশোরীর দিকে চেয়ে থাকত লোলুপ দু'টো চোখ।…
বিশ্বজিৎ দাস:- ভয়াবহ দুর্ঘটনার হাত থেকে রেহাই পেল ক্যানিং স্টাফ স্পেশাল ট্রেন। তাও মাত্র সাত…
নিজস্ব সংবাদদাতা: লকডাউন কেড়ে নিয়েছে তাঁর এবং স্বামীর পেশা। একরত্তি মেয়ে কে নিয়ে সংসার ভাসছে…