নিজস্ব সংবাদদাতা: দিন দশেক আগের কথা, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের করোনা সংক্রান্ত বিশেষজ্ঞ কমিটি সাংবাদিক সম্মেলন করে জানালেন করোনা পশ্চিমবঙ্গে মৃত্যু হয়েছে ৭জনের। কিছুক্ষনের মধ্যেই মূখ্য সচিব রাজীব সিনহা ফের সাংবাদিক সম্মেলন করে জানালেন, ৭ নয় মৃত্যুর সংখ্যা আগের মতই ৩ রয়েছে। ৭ থেকে ৩ য়ে মৃত্যুর সংখ্যা কেন নেমে গেল? কে ঠিক আর কে ভুল ? মজার কথা কেউই ভুল নন। যে চারজন পরে মারা গেছিলেন তাঁদের করোনা পজিটিভ ছিল ঠিকই আর সে কারনেই স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞর দল ঠিকই বলেছিলেন কিন্তু তাঁরা যে করোনাতেই মারা গেছেন এটা সরকার মনে করছেননা। পরে মূখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী ব্যাখ্যা দিয়ে বলেছিলেন, ‘এঁদের অনেকেই লিভার, হার্ট ইত্যাদি রোগে। ভুগছিলেন। তাই ওঁদের মৃত্যু করোনায় হয়েছে বলা যাবেনা।” ডাক্তারি পরিষেবায় কো-মর্বিডিটি, অর্থাৎ একই শরীরে একাধিক রোগের উপস্থিতি। এখন প্রশ্ন হল সরকার কোন রোগটিকে মৃত্যুর কারন হিসাবে মেনে নেবেন।
যেমন, মঙ্গলবার নববর্ষের সকালে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের বুলেটিনে জানানো হয়েছে, গত চব্বিশ ঘণ্টায় পশ্চিমবঙ্গে ৩৮ টি পজিটিভ কেস পাওয়া গিয়েছে। সোমবার সকাল ৯ টা পর্যন্ত মোট আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ১৫২। অর্থাৎ বর্তমানে আক্রান্তের সংখ্যা বাংলায় বেড়ে হল ১৯০। স্বাস্থ্যমন্ত্রকের ওই বুলেটিনে অনুযায়ী পশ্চিমবঙ্গে এখনও পর্যন্ত ৩৬ জন করোনা রোগী সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। অর্থাৎ বাকি অংশটি করোনা অ্যাকটিভ। কিন্তু সোমবার সন্ধ্যায় স্বাস্থ্য ভবনের বুলেটিনে জানানো হয়েছিল, রাজ্যে করোনা অ্যাকটিভের সংখ্যা ১০০ পেরিয়েছে। তখনও পর্যন্ত সরকারি হিসাবে ১১০ জনের দেহে সক্রিয় রয়েছে করোনার জীবাণু। মৃতের সংখ্যা বাড়েনি, সাতই রয়েছে।
কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক ও রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের বুলেটিনের মধ্যে এই ফারাক থেকেই যাচ্ছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রকের বুলেটিন অনুযায়ী বাংলায় এখন করোনা অ্যাকটিভ হওয়ার কথা ১৪৭ জন। কিন্তু স্বাস্থ্য ভবন জানিয়েছে ১১০ জন।
করোনা সংক্রান্ত যাবতীয় পরীক্ষা কেন্দ্রীয় ল্যাবে হচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গে নাইসেড বা বর্তমানে চালু হওয়া তিনটি মেডিক্যাল কলেজ ল্যাবে যা সরাসরি আইসিএমআরের অধীনে। করোনা পজিটিভ হওয়া মাত্র তা কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকে নথিভুক্ত হচ্ছে। আবার সেই ব্যক্তি করোনা মুক্ত হলেও সেই রিপোর্টও যাচ্ছে। এই ভাবে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক বুলেটিন প্রকাশ করছে। অন্যদিকে রাজ্য করোনার সঙ্গে থাকা অন্য প্রধান উপসর্গকে প্রাধান্য দিচ্ছে। যেমন গত কয়েক দিনে রাজ্যে এমন কিছু মানুষের মৃত্যু হয়েছে যাঁদের শরীরে করোনা পজিটিভ পাওয়া গিয়েছে। কিন্তু তাঁদের কো-মর্বিডিটি ছিল। নিউমোনিয়া, হৃদরোগ, কিডনির সমস্যা জনিত রোগে তাঁরা ভুগছিলেন। এ ধরনের ঘটনাকে রাজ্য সরকার গঠিত অডিট কমিটি করোনাভাইরাসের কারণে মৃত্যু হিসাবে বিবেচনা করছেন না। আর সেই কারনে হয়ত ফারাক হচ্ছে কেন্দ্র-রাজ্য হিসাবের মধ্যে।
তবে এখানে দুটি সমস্যা আছে প্রথম সমস্যা সমষ্টিগত, পরিসংখ্যানে করোনা আক্রান্তের সংখ্যার যথাযথ প্রতিফলন না হলে সতর্কতায় ঘাটতি থেকে যাবে আর দ্বিতীয়টি ব্যক্তিগত, করোনা আক্রান্ত হয়েও যদি অন্য রোগকেই মৃত্যুর কারন বলা হয় তাহলে সেক্ষেত্রে ওই মৃতের পরিবার সরকার ঘোষিত ৪লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরন পাবেনা।
অভিরুপ মাইতি, খড়গপুর: দু’টি বিয়ের পরেও ফের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়া, আর তারই জেরে শেষ পর্যন্ত…
লক্ষাধিক টাকার জাল নোট-সহ আটক সপ্তম শ্রেণির মেধাবী ছাত্র। পুলিশ নাবালকের কাছ থেকে ৪ লক্ষ…
বলিউড অভিনেতা সোনু সুদ করোনার সময়ে সাধারণ মানুষের ত্রাতা হয়ে উঠেছিলেন। জুটেছিল বাস্তব জীবনের হিরোর…
নিজস্ব সংবাদদাতা: স্কুল কিংবা টিউশন পড়তে যাওয়ার পথে কিশোরীর দিকে চেয়ে থাকত লোলুপ দু'টো চোখ।…
বিশ্বজিৎ দাস:- ভয়াবহ দুর্ঘটনার হাত থেকে রেহাই পেল ক্যানিং স্টাফ স্পেশাল ট্রেন। তাও মাত্র সাত…
নিজস্ব সংবাদদাতা: লকডাউন কেড়ে নিয়েছে তাঁর এবং স্বামীর পেশা। একরত্তি মেয়ে কে নিয়ে সংসার ভাসছে…