TRENDS

এবার জলের বদলে স্যানিটাইজার খেয়ে ফেললেন জয়েন্ট কমিশনার! ঘটনাস্থল সেই মহারাষ্ট্রই

Chandramani Saha

নিজস্ব সংবাদদাতা: আবারও সেই মহারাষ্ট্র, আবারও সেই স্যানিটাইজার বিভ্রান্তি! গত রবিবার পোলিও খাওয়াতে গিয়ে শিশুদের খাইয়ে দেওয়া হয়েছিল স্যানিটাইজার আর এবার পানীয় জলের বোতল থেকে জল খেতে গিয়ে বৃহন্মুম্বই মিউনিসিপ্যাল (BMC) কর্পোরেশনের জয়েন্ট কমিশনার রমেশ পাওয়ার বুঝলেন জল নয় অন্যকিছু মুখে নিয়ে ফেলেছেন তিনি। জানা গেছে বুধবার বিএমসি (BMC) বাজেট অধিবেশন চলছিল। টেবিলে জলের বোতল আর স্যানিটাইজারের বোতল ছিল পাশাপাশি আর তাতেই ঘটে গেল বিপত্তি।

জয়েন্ট কমিশনার জলের বোতল নিতে গিয়ে তুলে নেন স্যানিটাইজারের বোতল। আর না দেখেই সেটি ঢেলে দেন মুখে। পিছনেই দাঁড়িয়ে থাকা অ্যাটেনডেন্ট হাঁ হাঁ করে ওঠার আগেই যা হওয়ার ততক্ষনে হয়ে গেছে। বিস্বাদ কিছু একটা মুখে ঢুকে গেছে তাঁর ভেবেই ওয়াক থু! ততক্ষনে ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে চারদিকে।

সংবাদ সংস্থাকে জয়েন্ট কমিশনার জানিয়েছেন, তিনি তাঁর বক্তব্য শুরু করার আগে জল খাওয়ার কথা ভাবেন। তখনই জলের বোতল ভেবে স্যানিটাইজার খেয়ে ফেলেন তিনি। পাওয়ার বলেন, “বোতল আর স্যানিটাইজার দুটো পাশাপাশি রাখা ছিল। তাই এমন ঘটনা ঘটে গেল। যখনই আমি ওটা খাই, সঙ্গে সঙ্গে ভুল বুঝতে পারি। আমি স্যানিটাইজার না গিলে তখনই মুখ থেকে বাইরে ফেলে দিই।”

এই ঘটনার ঠিক চার দিন আগেই ঘটে গেছিল এমনই একটা দুর্ঘটনা। মহারাষ্ট্রের ইয়াভাতমাল জেলায় ওই গ্রামের একটি প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে রবিবার পালস পোলিও টিকা দেওয়ার কর্মসূচিতে পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুদের পোলিও’র ডোজ দেওয়ার পরিবর্তে স্বাস্থ্যকর্মীরা ২ফোঁটা করে স্যানিটাইজার ঢেলে দিয়েছিলেন।
এরপরেই এক শিশু বমি করতে শুরু করে ও তাঁর শরীরও খারাপ হয়ে পড়ে।

বর্তমানে শিশুদের শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল হলেও তাঁদের নজরদারিতে রাখা হচ্ছে। জানা গেছে এই ঘটনার সময় তিনজন স্বাস্থ্যকর্মী- একজন চিকিৎসক, এক অঙ্গনওয়াড়ি সেবিকা এবং এক আশা স্বেচ্ছাসেবক ওই স্বাস্থ্যকেন্দ্রে উপস্থিত ছিল যার মধ্যে তিন স্বাস্থ্যসেবা কর্মীকে সাময়িক বরখাস্ত করার নির্দেশ জারি করা হয়।  সৌভাগ্যক্রমে শিশুরা সবাই সঙ্কটমুক্ত বলে জানা গেছে।

 

Chandramani Saha

চন্দ্রমণি সাহা যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী এবং একজন প্রতিশ্রুতিবান সাংবাদিক। গতানুগতিক সংবাদের বাইরে গিয়ে মানবিক আবেদন সম্পন্ন গল্প এবং প্রান্তিক মানুষের জীবনসংগ্রাম তুলে ধরাই তার প্রধান লক্ষ্য। বর্তমানে তিনি The Khargapur Post-এর সম্পাদকীয় বিভাগে কর্মরত।

Home Breaking E - Paper Video Join