তিতলি সেনগুপ্ত: কলকাতা: বিধানসভা নির্বাচন যত কাছে আসছে ততই উত্তপ্ত হয়ে উঠছে বাংলার রাজনীতি। রবিবার তারই প্রমান মিলল ব্যারাকপুর কমিশনারেট এলাকায়। ভর সন্ধ্যায় খোদ টিটাগড় থানার সামনেই গুলিতে ঝাঁঝরা হয়ে গেলেন বিজেপির শীর্ষ স্থানীয় নেতা অর্জুন সিংহ ঘনিষ্ট মনীশ শুক্লা। বিজেপির ব্যারাকপুর সাংগঠনিক জেলার সদস্য তথা প্রাক্তন কাউন্সিলর
মণীশ শুক্ল যাকে লক্ষ্য করে ১৩ থেকে ১৪ রাউন্ড গুলি করা হয় বলে জানা গিয়েছে।
জানা গেছে ওই সময় উত্তর প্রদেশের হাথরসের ঘটনার প্রতিবাদে একটি ধিক্কার মিছিল চলছিল তৃণমূলের। টিটাগড় থানার অদূরেই বড়া মস্তান এলাকায় নিজের সঙ্গি গোবিন্দের সঙ্গে গল্প করছিলেন মনীশ। মিছিলটি তাঁদের পাশ দিয়েই বেরিয়ে যায়। তার ঠিক পরই একাধিক বাইক এসে থামে জায়গাটায়। বাইক আরোহীদের মুখ হেলমেটে ঢাকা ছিল। তাদেরই বেশ কয়েক জন মনীশকে লক্ষ্য করে ঝাঁকে ঝাঁকে গুলি করেই চলে যায়। ঘটনা স্থলেই লুটিয়ে পড়ে মনীশ। মনীশকে আড়াল করতে গিয়ে গুলিবিদ্ধ হন গোবিন্দও। দ্রুত তাঁদের নিয়ে যাওয়া হয় বাইপাসের একটি বেসরকারি হাসপাতালে। সেখানেই কিছুক্ষনের মধ্যে মৃত্যু হয় মনীশের।
ঘটনার খবর পেয়েই টুইটারে এক ভিডিও বার্তায় এ কথা জানিয়েছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা রাজ্য বিজেপির কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক কৈলাস বিজয়বর্গীয় অভিযোগ করেছেন, তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা বিজেপি নেতা মণীশ শুক্লকে টিটাগড় থানার সামনে গুলি করে খুন করেছে। পুলিশের ওপর তাঁদের আর কোনও বিশ্বাস নেই। কারণ, এর আগে সাংসদ অর্জুন সিং তাঁকে অভিযোগ করে জানিয়েছেন যে ব্যারাকপুরে তাঁর এবং তাঁর কর্মীদের জীবন নিয়ে সংশয় রয়েছে।
অর্জুন সিং কৈলাস বিজয়বর্গীয়র কাছে অভিযোগে জানিয়েছেন, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ব্যারাকপুরের পুলিশ কমিশনার মনোজ বর্মা এবং অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার অর্জুন ঠাকুরকে তাঁকে খুনের ‘সুপারি’ দিয়েছেন। মণীশ শুক্ল খুনের ঘটনায় সিবিআই তদন্তের পাশাপাশি পুলিশের ভূমিকা খতিয়ে দেখারও দাবি জানিয়েছেন কৈলাস বিজয়বর্গীয়।
ঘটনার খবর পেয়েই টিটাগড় সহ সমগ্র ব্যারাকপুর এলাকাতেই রাস্তায় নেমে পড়েন বিজেপি সমর্থকরা। টিটাগড় জুড়ে বিভিন্ন জায়গায় শুরু হয়েছে তুমুল বিক্ষোভ। পুলিশের বিরাট বাহিনী রাস্তায় নেমে পড়েছে।
ঘটনার প্রতিবাদে সোমবার ব্যারাকপুরে ১২ ঘণ্টা বন্ধের ডাক দিয়েছে রাজ্য বিজেপি। ব্যারাকপুর জুড়ে কাল একাধিক বিক্ষোভ কর্মসূচিতে দলের সাধারণ সম্পাদক সঞ্জয় সিং, সাংসদ অর্জুন সিং এবং সাংসদ তথা রাজ্য যুব মোর্চার সভাপতি সৌমিত্র খাঁরা নেতৃত্ব দেবেন বলে দলীয় সূ্ত্রে জানা গিয়েছে।
উল্লেখ্য একদা বাম নেতা তড়িৎ তোপদারের ঘনিষ্ঠ এই নেতা তৃনমূল আমলে তৃনমূল যুব কংগ্রেসের নেতৃত্বের পর্যায়ে উঠে আসে। তৃনমূল নেতা শীলভদ্র দত্তের অনুগামী হয়ে ওঠেন। দলে শীলভদ্র কোনঠাসা হয়ে পড়লে অর্জুন সিংহ বিজেপিতে আসার পরে অর্জুনের কাছের লোক হয়ে ওঠেন তিনি। এই ঘটনার পরই রাজ্যের স্বরাষ্ট্র সচিব ও ডিজিপিকে জরুরি তলব করেছেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়।
অভিরুপ মাইতি, খড়গপুর: দু’টি বিয়ের পরেও ফের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়া, আর তারই জেরে শেষ পর্যন্ত…
লক্ষাধিক টাকার জাল নোট-সহ আটক সপ্তম শ্রেণির মেধাবী ছাত্র। পুলিশ নাবালকের কাছ থেকে ৪ লক্ষ…
বলিউড অভিনেতা সোনু সুদ করোনার সময়ে সাধারণ মানুষের ত্রাতা হয়ে উঠেছিলেন। জুটেছিল বাস্তব জীবনের হিরোর…
নিজস্ব সংবাদদাতা: স্কুল কিংবা টিউশন পড়তে যাওয়ার পথে কিশোরীর দিকে চেয়ে থাকত লোলুপ দু'টো চোখ।…
বিশ্বজিৎ দাস:- ভয়াবহ দুর্ঘটনার হাত থেকে রেহাই পেল ক্যানিং স্টাফ স্পেশাল ট্রেন। তাও মাত্র সাত…
নিজস্ব সংবাদদাতা: লকডাউন কেড়ে নিয়েছে তাঁর এবং স্বামীর পেশা। একরত্তি মেয়ে কে নিয়ে সংসার ভাসছে…