নিজস্ব সংবাদদাতা: রাজ্যের মূখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জীর জন্য লজ্জাশ্রী পুরস্কার ঘোষনা করলেন রাজ্য বিজেপির সহ সভাপতি ভারতী ঘোষ। সোমবার পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার দাঁতনে একটি সভায় যোগ দিতে যাওয়ার পথে ওই জেলারই ডেবরা থানা এলাকার বারুনিয়া গ্রামে পৌঁছে যান জেলার প্রাক্তন পুলিশ সুপার। রবিবার সকালেই এই গ্রাম থেকে আড়াই কিলোমিটার দুরে উদ্ধার হয়েছিল ৪২ বছরের গৃহবধূর মৃতদেহ। সোমবার শ্মশানযাত্রার কিছু আগেই সেখানে পৌঁছে যান প্রাক্তন আইপিএস।
ডেবরায় একের পর এক মহিলা খুনের এবং ধর্ষণের ঘটনায় ক্ষুব্ধ ঘোষ বলেন, ” উত্তরপ্রদেশের হাথরসের ঘটনায় আপনি পথ হাঁটেন আর নিজের রাজ্যে একের পর মহিলার ধর্ষণ আর খুনের ঘটনায় আপনি ও আপনার পুলিশ নিষ্ক্রিয় থাকেন। আপনাকে আমি লজ্জাশ্রী পুরস্কার দেওয়ার কথা ঘোষণা।করছি।” ঘোষ বলেন, ‘মাত্র তিনমাস আগেই আমি এই গ্রামপঞ্চায়েত এলাকারাই হরিহরপুরে এসেছিলাম ঠিক এরকমই এক যুবতীকে ধর্ষণ করে খুন করার ঘটনার পর। এটা হচ্ছে টা কী? একের পর এক আদিবাসী মহিলা ধর্ষন আর খুনের ঘটনা ঘটেই যাচ্ছে আর পুলিশ ব্যবস্থা নেবে কোথায় উল্টে নির্যাতিতা, খুন হওয়া মহিলার পরিবারকেই নির্যাতন করছে!’
মহিলার লাশ ঘিরে বসে থাকা পরিবার ও গ্রামবাসীদের উদ্দেশ্যে বিজেপি নেত্রীর প্রশ্ন, ‘আমাদের মূখ্যমন্ত্রী সুদূর উত্তরপ্রদেশের হাথরসের ঘটনায় প্রতিবাদ মিছিলে হাঁটেন কিন্তু আপনাদের এই ঘটনার পর হাঁটতে এসেছিলেন?” জনতা সমস্বরে ‘না’ বলে ওঠেন। ভারতী আবারও প্রশ্ন করেন, জেলার পুলিশ সুপার, ডিআইজি, ডেপুটি পুলিশ সুপার এসেছিল?’ জনতা বারংবার চিৎকার করে ‘না’ ‘না’ বলতে থাকেন। এরপরই ভারতী ঘোষ বলেন, এই কী মূখ্যমন্ত্রীর রাজধর্ম? উনি বলে বেড়াচ্ছেন, আদিবাসীদের জন্য এই করেছি, ওই করেছি এইহচ্ছে তাঁর আসল কাজের নমুনা।’ এরপরই তিনি বলেন, ‘ আমি সারা পশ্চিমবঙ্গের আদিবাসী সমাজকে বলব, আপনারা গন আন্দোলনে নামুন।”
রবিবার রাতেই ডেবরা থানার বারুনিয়া গ্রামে পৌঁছে গিয়েছিল খুন হওয়া মহিলার দেহ। ওইদিন সকালেই নিজের বাড়ি থেকে আড়াই কিলোমিটার দুরে ইসলামপুর গ্রামের কাছে একটি জঙ্গলাবৃত জায়গা থেকে দেহ উদ্ধার হওয়ার পর পুলিশ খড়গপুর মহকুমা হাসপাতালে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়। সেই দেহ গ্রামে আসার পরই পুলিশের পক্ষ থেকে দ্রুত দেহ পুড়িয়ে দেওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছিল বলে গ্রামবাসীদের কেউ কেউ ভারতী ঘোষের কাছে অভিযোগ জানান। যদিও তাঁদের আত্মীয়স্বজন শেষ দেখা দেখতে চায় বলে পরিবার মৃতদেহ রেখে দেয়।
সেই পরিবারকে আশ্বাস দিয়ে ভারতী ঘোষ বলেন, ‘আপনারা চিন্তা করবেননা, ঘটনার সিবিআই তদন্ত চেয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হব আমরা। এর শেষ দেখে ছাড়ব।’ তাঁর দাবি যারা অপরাধী, যার এই নৃশংস ঘটনা ঘটিয়েছে তাদের ২জনের নাম আমার কাছে এসেছে অথচ পুলিশ জানেনা এটা হয়? পুলিশ আসলে অপরাধীদের বাঁচাতে চাইছে কিন্তু আমি আপনাদের বলে যাচ্ছি রেহাই পাবেনা এই পুলিশ আধিকারিকরা।’
অভিরুপ মাইতি, খড়গপুর: দু’টি বিয়ের পরেও ফের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়া, আর তারই জেরে শেষ পর্যন্ত…
লক্ষাধিক টাকার জাল নোট-সহ আটক সপ্তম শ্রেণির মেধাবী ছাত্র। পুলিশ নাবালকের কাছ থেকে ৪ লক্ষ…
বলিউড অভিনেতা সোনু সুদ করোনার সময়ে সাধারণ মানুষের ত্রাতা হয়ে উঠেছিলেন। জুটেছিল বাস্তব জীবনের হিরোর…
নিজস্ব সংবাদদাতা: স্কুল কিংবা টিউশন পড়তে যাওয়ার পথে কিশোরীর দিকে চেয়ে থাকত লোলুপ দু'টো চোখ।…
বিশ্বজিৎ দাস:- ভয়াবহ দুর্ঘটনার হাত থেকে রেহাই পেল ক্যানিং স্টাফ স্পেশাল ট্রেন। তাও মাত্র সাত…
নিজস্ব সংবাদদাতা: লকডাউন কেড়ে নিয়েছে তাঁর এবং স্বামীর পেশা। একরত্তি মেয়ে কে নিয়ে সংসার ভাসছে…