নিজস্ব সংবাদদাতা: বিধানসভায় বুথ স্তর থেকে লড়াইয়ে গুরুত্ব আরোপ করেছে সিপিএম। পার্টির পর্যবেক্ষন, ওপরের স্তরে নেতৃত্ব পর্যায়ে পার্টির আন্দোলন সংগ্রামে যে রূপ দেখা যাচ্ছে নিচের স্তরে তার ঘাটতি রয়েছে। ব্রিগেড ভরাতে কিংবা নবান্ন অভিযানে যে ভিড়, যে উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায় শাখা স্তরে তার প্রতিফলন নেই।
বুধবার সেরকমই একটি বন্ধ হয়ে থাকা দলীয় কার্যালয় খুলল পূর্ব মেদিনীপুরের ভগবানপুর থানা এলাকায়।
সিপিমের ভগবানপুর ২ এরিয়া কমিটির অন্তর্গত গোপীনাথপুর শাখা অফিস ‘সুভাষচন্দ্র বাগ ভবন’য়ের নতুন করে দ্বার উন্মোচন করলেন পুর্ব মেদিনীপুর পার্টির জেলা সম্পাদক নিরঞ্জন সিহি। উপস্থিত ছিলেন পুর্ব পাঁশকুড়ার বিধায়ক ও দলের যুব সংঠনের জেলা সম্পাদক পুর্ব মেদিনীপুর ইব্রাহিম আলি। দলের খেজুরির এলাকার নেতা পরিতোষ পট্টনায়ক। উপস্থিত ছিলেন তরুণ প্রজন্মের এক ঝাঁক কর্মী সমর্থক।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে পার্টি অফিসটি প্রথম ১৯৯২ সালে তৈরী হয়েছিল। ২০১১ সালে সরকার পরিবর্তনের পর থেকে পার্টির অবিরাম রক্তক্ষরণ এবং কর্মীদের নিষ্ক্রিয়তার ফলে রক্ষনাবেক্ষনের অভাবে ভগ্নদশায় চলে যায় সেটি। দীর্ঘ ৯ বছর পর কার্যালয়টি ফের চালু করতে এগিয়ে আসেন পার্থ সারথি পান্ডা, অরুপ সাহু, চিত্তরঞ্জন প্রধান, দিলীপ সাঁতরার মত এক ঝাঁক তরুন প্রজন্ম। মঙ্গলবার তাঁদেরই উদ্যোগে চার শতাধিক মানুষের মিছিল এলাকা প্রদিক্ষনের পর দ্বার উদঘাটন করা হয়।
জেলা সম্পাদক জানান, ‘ শাখা এলাকায় জনসংযোগ, সংগ্রাম, আন্দোলন গড়ে তোলার জন্য শাখা কার্যালয় প্রয়োজন। এরজন্য নতুন করে যেমন শাখা কার্যালয় খুলতে হবে তেমনই পুরানো কার্যালয় গুলি সচল করতে হবে। শুধু কার্যালয় খুললেই হবেনা নিয়মিত তা খুলে বসতে হবে। মানুষ তার প্রয়োজনে শাখা অফিসে আসলে তিনি যেন আমাদের কমরেডদের দেখতে পান, পরামর্শ পান সেটা নিশ্চিত করুন।” উল্লেখ্য জেলা সিপিএমের তরফে তালিকা ধরে ধরে বন্ধ হয়ে যাওয়া কার্যালয় গুলি খোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যেই নন্দীগ্রাম, খেজুরিতে একাধিক কার্যালয় খুলে ফেলা হয়েছে বাকি কার্যালয় গুলি ২০২১ আগেই খুলে ফেলতে চায় সিপিএম।
পূর্ব মেদিনীপুর পার্টির জেলা সম্পাদক মন্ডলীর এক সদস্য জানিয়েছেন, ” ২০১১ পরবর্তী কালে তীব্র সন্ত্রাস, খুন, মিথ্যা মামলা যেমন এলাকায় পার্টি পরিচালনায় তীব্র সংকট তৈরি করে তেমনই পার্টির অভ্যন্তরে কোথাও কোথাও নিষ্ক্রিয়তাও কাজ করেছে আর সব মিলিয়ে জেলায় শতাধিক পার্টি কার্যালয় বন্ধ হয়ে পড়ে। একে একে সেই কার্যালয় গুলি খোলা হচ্ছে। একটি শাখা কার্যালয়ের পুনর্বার দ্বার উদঘাটন করতে জেলা সম্পাদক স্বয়ং যাচ্ছেন। এখানেই বুঝুন ছোট বড় সমস্ত কার্যালয় খুলতে কতটা গুরুত্ব আরোপ করেছে দল। ভাল লাগার জায়গা আরও যে এই অফিস গুলি খুলতে এগিয়ে আসছে যুবশক্তি।”
অভিরুপ মাইতি, খড়গপুর: দু’টি বিয়ের পরেও ফের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়া, আর তারই জেরে শেষ পর্যন্ত…
লক্ষাধিক টাকার জাল নোট-সহ আটক সপ্তম শ্রেণির মেধাবী ছাত্র। পুলিশ নাবালকের কাছ থেকে ৪ লক্ষ…
বলিউড অভিনেতা সোনু সুদ করোনার সময়ে সাধারণ মানুষের ত্রাতা হয়ে উঠেছিলেন। জুটেছিল বাস্তব জীবনের হিরোর…
নিজস্ব সংবাদদাতা: স্কুল কিংবা টিউশন পড়তে যাওয়ার পথে কিশোরীর দিকে চেয়ে থাকত লোলুপ দু'টো চোখ।…
বিশ্বজিৎ দাস:- ভয়াবহ দুর্ঘটনার হাত থেকে রেহাই পেল ক্যানিং স্টাফ স্পেশাল ট্রেন। তাও মাত্র সাত…
নিজস্ব সংবাদদাতা: লকডাউন কেড়ে নিয়েছে তাঁর এবং স্বামীর পেশা। একরত্তি মেয়ে কে নিয়ে সংসার ভাসছে…