অশ্লেষা চৌধুরী: সেই চেনা জানা ঘটনার পুনরাবৃত্তি। ফের হামলার শিকার বিজেপিক কর্মী সমর্থকেরা। কোথাও গুলিবিদ্ধ কেউ, আবার কোথাও বা বাসে ভাঙচুর; ব্রিগেড যাওয়ার মুখে দক্ষিণ ২৪ পরগনা থেকে নদিয়া সর্বত্রই যেন একই চিত্র।
ব্রিগেড যাওয়ার পথে ভাঙড়ে বিজেপি কর্মীদের মারধরের অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। পাল্টা তাদের কর্মীদের মারধর করা হয়েছে বলে শাসক শিবিরের দাবী। অভিযোগ, ভাঙড়ে গাড়ি থামিয়ে তৃণমূল কর্মীরা চড়াও হয় বিজেপি সমর্থকদের ওপর। লাঠি, রড নিয়ে হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ। এমনকি পাথর ছুঁড়ে বাসের কাঁচ ভেঙে দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ উঠছে এবং অনেকের মোবাইলও কেড়ে নেওয়া হয়েছে বলে খবর। এরপরই দু পক্ষের মধ্যে তুমুল সংঘর্ষ বেধে যায়। আহত হন উভয়পক্ষের ৭ জন।পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে যায় কেন্দ্রীয় বাহিনী ও ভাঙড় থানার পুলিশ। আহতদের সকলকেই নলমুড়ি প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভর্তি করা হয়েছে।
অপরদিকে বিজেপি সূত্রে খবর, শনিবার রাতে নদিয়ার হরিণঘাটা ১০ নম্বর ওয়ার্ডের বুথ সভাপতি সঞ্জয় দাস ব্রিগেডের প্রচার করছিলেন। অভিযোগ সেইসময় তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়। সঞ্জয়ের ডান পায়ে গুলি লাগে। তারপরেই তাঁকে কল্যাণীর জেএনএম হাসপাতালে ভর্তি করা হয় বলেই জানা গিয়েছে। ঘটনায় শাসক শিবির আশ্রিত দুষ্কৃতকারীদের কাঠগড়ায় তোলে পদ্ম শিবির। মোদির ব্রিগেড সমাবেশে যাওয়া আটকাতেই এই হামলা বলে অভিযোগ তাদের। তৃণমূলের পাল্টা দাবী, বিজেপির গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জেরে এই ঘটনা।, ঘটনার সঙ্গে রাজনীতির যোগ নেই বলে দাবী করেছে পুলিশ, যদিও গুলি চলার কথা স্বীকার করে নিয়েছে পুলিশ। এই ঘটনায় তিনজনকে আটক করা হয়েছে বলে খবর।
তবে এই ধরণের হামলার ঘটনার অভিযোগ এই প্রথম নয়। এর আগে হলদিয়ায় প্রধানমন্ত্রীর সভার আগেই ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে মেদিনীপুর জুড়ে। কোথাও বাসে হামলা, তো কোথাও আবার ছেঁড়া হয় প্রধানমন্ত্রীর ছবি সম্বলিত ফ্লেক্স। কাঠগড়ায় সেই শাসক শিবির। বিজেপির অভিযোগ, সভার আগের দিন রাতের আঁধারে প্রধানমন্ত্রীর সভার সমর্থনে নন্দকুমার হাই রোডের একাধিক এলাকায় লাগানো ফ্লেক্স ছিঁড়ে দেয় তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা, যা নিয়ে সকাল থেকে এলাকায় উত্তেজনা ছড়ায়। অপরদিকে হলদিয়ায় প্রধানমন্ত্রীর সভায় যাওয়ার পথে, মেদিনীপুর শহর সংলগ্ন ধর্মা এলাকায় বাসে হামলা, ইটবৃষ্টির অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। ইটের আঘাতে মাথা ফাটে তিন বিজেপি কর্মীর। বিজেপির অভিযোগ, কেশপুর থেকে হলদিয়ায় যাওয়ার পথে, মেদিনীপুর শহরের কাছে ধর্মা এলাকায় বাসে হামলা চালায় তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতিরা। এছাড়াও সেই সময় নন্দীগ্রামের কমলপুরে বিজেপির প্রস্তুতি সভায় হামলার অভিযোগ ওঠে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। আহত হন ৫ বিজেপি কর্মী। ২ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায়, তাঁদের তমলুক জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। প্রধানমন্ত্রীর সভায় যাওয়া নিয়ে দলের প্রস্তুতি বৈঠক চলাকালীন রড-বাঁশ-লাঠি নিয়ে হামলা চালানোর অভিযোগ ওঠে তৃণমূল কর্মীদের ওপর।
আর রবিবাসরীয় দুপুরে ব্রিগেডে প্রধানমন্ত্রীর হাইভোল্টেজ সভায় যোগদান করার আগে এই ধরণের অপ্রীতিকর ঘটনার অভিযোগ উঠে আসে রাজ্যের একাধিক প্রান্ত থেকে।
অভিরুপ মাইতি, খড়গপুর: দু’টি বিয়ের পরেও ফের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়া, আর তারই জেরে শেষ পর্যন্ত…
লক্ষাধিক টাকার জাল নোট-সহ আটক সপ্তম শ্রেণির মেধাবী ছাত্র। পুলিশ নাবালকের কাছ থেকে ৪ লক্ষ…
বলিউড অভিনেতা সোনু সুদ করোনার সময়ে সাধারণ মানুষের ত্রাতা হয়ে উঠেছিলেন। জুটেছিল বাস্তব জীবনের হিরোর…
নিজস্ব সংবাদদাতা: স্কুল কিংবা টিউশন পড়তে যাওয়ার পথে কিশোরীর দিকে চেয়ে থাকত লোলুপ দু'টো চোখ।…
বিশ্বজিৎ দাস:- ভয়াবহ দুর্ঘটনার হাত থেকে রেহাই পেল ক্যানিং স্টাফ স্পেশাল ট্রেন। তাও মাত্র সাত…
নিজস্ব সংবাদদাতা: লকডাউন কেড়ে নিয়েছে তাঁর এবং স্বামীর পেশা। একরত্তি মেয়ে কে নিয়ে সংসার ভাসছে…