ওয়েব ডেস্ক : কয়েকদিন আগেই একটি গাড়ি দুর্ঘটনায় মাথায় গুরুতর আঘাত পান বছর পঞ্চাশের এক প্রৌঢ়। সেকারণে এতদিন ভর্তি ছিলেন এসএসকেএম-এর ট্রমা কেয়ার বিভাগে। কিছুদিন সেখানে চিকিৎসাধীন থাকার পর সোমবার আচমকাই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের নজর এড়িয়ে হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যান ওই ব্যক্তি৷ এদিকে হাসপাতালের নিয়ম অনুযায়ী ওই রোগীর করোনা পরীক্ষা করা হয়েছিল। সোমবারই সেই রিপোর্ট আসে। তাতে দেখা যায় ওই ব্যক্তি করোনা পজিটিভ। এরপরই হাসপাতালের তরফে ওই ব্যক্তির ওয়ার্ডে গেলে দেখা যায় বেড ফাঁকা। রোগী কোত্থাও নেই। রোগীকে খুঁজতে রীতিমতো হুলুস্থুল পড়ে যায় এসএসকেএম হাসপাতাল চত্বরে। এদিকে ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পর স্বাভাবিকভাবেই এসএসকেএম হাসপাতালে কার্যত চাঞ্চল্য ছড়ায়।
এই ঘটনায় হাসপাতালের তরফে জানা গিয়েছে, ওই ব্যক্তি অশোকনগরের কল্যাণগড়ের ওই বাসিন্দা। দূর্ঘটনার কারণে এসএসকেএম-এর ট্রমা কেয়ার বিভাগে তিনি চিকিৎসাধীন ছিলেন। সোমবার দুপুর ২.৩০টে নাগাদ ওই ব্যক্তি সকলের আড়ালে হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে যান। ঘন্টা দেড়েক পরে বেডে রোগী নেই দেখেই শোরগোল পড়ে যায়। কিন্তু একেই দুর্ঘটনা তারওপর রোগী করোনা আক্রান্ত হওয়ায় রোগীকে খুঁজতে শুরু করে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ৷ কিন্তু দীর্ঘক্ষণ খোঁজার পরও ওই রোগীর সন্ধান না পাওয়ায় অবশেষে হাসপাতালের সিসিটিভি ফুটেজ চেক করে কর্তৃপক্ষ। সেই ফুটেজেই ধরা পড়ে, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি হাতে কম্বল এবং সিরিঞ্জ নিয়ে বেরিয়ে আসছেন হাসপাতাল থেকে। তারপর থেকেই শুরু হয় রোগীর খোঁজ। অবশেষে রাত সাড়ে ৯টা নাগাদ জানা যায়, ওই ব্যক্তি অসুস্থ অবস্থাতে এসএসকেএম থেকে পায়ে হেঁটে অশোকনগরে বাড়ি পৌঁছে গিয়েছেন। কিন্তু কিভাবে অসুস্থ শরীর নিয়ে এতটা রাস্তা এলেন ওই রোগী? ঘটনায় রীতিমতো হতবাক হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
তবে এই ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই হাসপাতালের গাফিলতির প্রশ্ন উঠছে। কিভাবে একজন রোগী হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের নাকের ডগা দিয়ে বেরিয়ে যেতে পারলো? রোগী দুপুরে বেরিয়ে গিয়েছে অথচ খোঁজ পড়েছে বিকেলে। তার মানে কি দীর্ঘ ৩-৪ ঘন্টা ওই ওয়ার্ডে চিকিৎসক কিংবা নার্স কেউই ছিল না? স্বাভাবিকভাবেই হাসপাতালের বিরুদ্ধে এধরণের একাধিক প্রশ্ন উঠছে।
এদিকে রোগী বাড়ি ফিরে আসারভপর হাসপাতালের তরফে জানানো হয়, রোগী করোনা পজিটিভ। এই খবর পাওয়া মাত্রই স্বাভাবিকভাবেই এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়ায়। বাড়ি ফেরার পরও নাকি ওই রোগী স্পষ্ট করে কিছু বলতে পারছেন না। এই ঘটনায় অশোকনগর কল্যাণগড় পৌরসভার প্রশাসক এসএসকেএম হাসপাতালকেই কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছেন। তিনি হাসপাতালের বিরুদ্ধে প্রশ্ন তুলেছেন, “হাসপাতালে কর্মীরা কেন নজর রাখেননি?” তবে কীভাবে দিনে দুপুরে এই ঘটনা ঘটলো তাও খতিয়ে দেখার আবেদন রেখেছেন তিনি।
অভিরুপ মাইতি, খড়গপুর: দু’টি বিয়ের পরেও ফের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়া, আর তারই জেরে শেষ পর্যন্ত…
লক্ষাধিক টাকার জাল নোট-সহ আটক সপ্তম শ্রেণির মেধাবী ছাত্র। পুলিশ নাবালকের কাছ থেকে ৪ লক্ষ…
বলিউড অভিনেতা সোনু সুদ করোনার সময়ে সাধারণ মানুষের ত্রাতা হয়ে উঠেছিলেন। জুটেছিল বাস্তব জীবনের হিরোর…
নিজস্ব সংবাদদাতা: স্কুল কিংবা টিউশন পড়তে যাওয়ার পথে কিশোরীর দিকে চেয়ে থাকত লোলুপ দু'টো চোখ।…
বিশ্বজিৎ দাস:- ভয়াবহ দুর্ঘটনার হাত থেকে রেহাই পেল ক্যানিং স্টাফ স্পেশাল ট্রেন। তাও মাত্র সাত…
নিজস্ব সংবাদদাতা: লকডাউন কেড়ে নিয়েছে তাঁর এবং স্বামীর পেশা। একরত্তি মেয়ে কে নিয়ে সংসার ভাসছে…