Homeএখন খবরগোয়ালতোড়ে কোয়ারেন্টাইনে খোলার প্রতিবাদে পথ অবরোধে সামিল মহিলারা

গোয়ালতোড়ে কোয়ারেন্টাইনে খোলার প্রতিবাদে পথ অবরোধে সামিল মহিলারা

নিজস্ব সংবাদদাতা: চতুর্থদফা লকডাউনে নিয়ম কানুন কিছু শিথিল হয়েছে, উঠেছে নিষেধাজ্ঞা। পাশাপাশি রাজ্যগুলির পারস্পরিক আলোচনায় শুরু হয়েছে শ্রমিক স্পেশাল ট্রেন চালানোর কাজ। ট্রেনের পাশাপাশি বাস ইত্যাদি নানা যানবাহনে শুরু হয়েছে ঝাঁকে ঝাঁকে শ্রমিকদের ঘরে ফেরা। প্রতিদিনই হাজার হাজার মানুষ ফিরছেন ভিন রাজ্য থেকে। এই বিপুল সংখ্যক মানুষকে কোয়ারেন্টাইন করার জন্য নাজেহাল হতে হচ্ছে রাজ্যকে। মূলত স্কুলগুলোকেই বেছে নেওয়া হচ্ছে কোয়ারেন্টাইন সেন্টার হিসাবে। কিন্তু লোকালয়ের মধ্যে এই সেন্টার তৈরীকে কেন্দ্র করে অসন্তোষ বিক্ষোভ ইত্যাদি দানা বাঁধছে।

বৃহস্পতিবার তেমনই ঘটনা ঘটল পশ্চিম মেদিনীপুরের গোয়ালতোড় এলাকায়। গ্রামের স্কুলে ভিন রাজ্য থেকে আসা পরিযায়ী শ্রমিকদের জন্য কোয়ারেন্টাইন খোলার প্রতিবাদে পথ অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখালো স্থানীয়রা। যে বিক্ষোভে বেশি মাত্রায় সামিল হয়েছিলেন মহিলারা। ঘটনা গোয়ালতোড় থানার কিয়ামাচাতে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে কিয়ামাচা হাইস্কুলটি কে গড়বেতা -২ ব্লক প্রশাসনের পক্ষ থেকে ভিন রাজ্য থেকে আসা পরিযায়ী শ্রমিকদের জন্য কোয়ারেন্টাইন কেন্দ্র করা হয়েছে। ইতিমধ্যে স্কুলের ওই কোয়ারেন্টাইনে দুজন রয়েছে গতকাল থেকে। আরো কয়েকজন কে ওই কেন্দ্রে রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

তারই প্রতিবাদে এদিন গ্রামের মহিলারা গোয়ালতোড় চন্দ্রকোনারোড রাজ্য সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন৷ বিক্ষোভকারী দের দাবী গ্রামের এই স্কুলে কোনোভাবেই কোয়ারেন্টাইন করতে দেওয়া যাবে না। রাস্তা অবরোধ করার ফলে এই রাজ্য সড়কের উপর যানবাহনের যাতায়াত বন্ধ হয়ে যায়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় গোয়ালতোড় থানার পুলিশ। পুলিশ গ্রামবাসীদের সঙ্গে কথা বলে অবরোধ তুলে দেয়। কিন্তু কোয়ারেন্টাইন কেন্দ্র সরানো হবে না ওই স্কুলেই থাকবে তা নিয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।

ঘটনায় রীতিমত বিড়ম্বনায় জেলা প্রশাসন। কারন দক্ষিন ও পশ্চিমের রাজ্যগুলি থেকে দফায় দফায় ট্রেন আসছে। জঙ্গলমহলের একটি বড় অংশই ফিরছে ওই ট্রেনে। যার মধ্যে গোয়ালতোড় থানা এলাকার শ্রমিকরাও রয়েছেন। এঁদের যদি স্কুলে রাখতে বাধা দেওয়া হয় তবে রাখা হবে কোথায়? প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে গ্রামবাসীদের বোঝানোর জন্য স্থানীয় পঞ্চায়েতগুলির সাহায্য নেওয়া হবে। প্রয়োজনে মেডিক্যাল অফিসাররা এলাকায় গিয়ে গ্রামবাসীদের আশ্বস্ত করার চেষ্টা করবেন।

RELATED ARTICLES

Most Popular