TRENDS

রাজ্যে চালু হয়ে গেল স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড! কারা পাবেন ছাত্রঋণ, সর্বোচ্চ কত টাকা পাওয়া যাবে, কী নিয়ম ঋণ শোধের, সব তথ্য বিস্তারিত

Chandramani Saha

বিশ্বজিৎ দাস: রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস বিধানসভা ভোটের আগে নির্বাচনী ইস্তাহারে বলেছিল, তারা ক্ষমতায় এলে স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড চালু হবে। এবার রাজ্যে চালু হয়ে গেল নয়া ছাত্রঋণ ব্যবস্থা। স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড নামের একটি কার্ড চালু করলেন মুখ্যমন্ত্রী।

এই ঋণ দশম শ্রেণি থেকে স্নাতকোত্তর পর্যন্ত ছাত্ররা যে কোনও সময় পড়াশোনা সংক্রান্ত প্রয়োজনে ব্যবহার করতে পারেন। কোন শর্তে ক্রেডিট কার্ড পাওয়া যাবে, কারা যোগ্য ছাত্র ক্রেডিট কার্ডের জন্য এই বিষয়ে জানুন।

বুধবারই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই ছাত্র ক্রেডিট কার্ড আনুষ্ঠানিক ভাবে উদ্বোধন করার সময় স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন,স্নাতক ও স্নাতকোত্তর এমনকি ডাক্তারি, আইএএস, আইপিএস, ডব্লিউবিসিএস, কোনও ডিপ্লোমায় পড়ার জন্য ছাত্ররা যে কোনও সময় এই ঋণ পেতে পারেন ছাত্রছাত্রী।

এ ছাড়া ব্যাংক, রেলওয়ে, স্টাফ সিলেকশন কমিশন বা অন্য কোনও পেশাদার পাঠ্যক্রম এর জন্যেও ছাত্ররা কোনও বৈধ প্রতিষ্ঠানে পড়াশোনা করলেই এই ঋণ পেতে পারেন। ছাত্র ঋণে সর্বোচ্চ দশ লক্ষ টাকা পর্যন্ত নেওয়া যাবে।আবেদনকারীর বয়স হতে হবে ৪০ বছরের মধ্যে। ঋণের মেয়াদ থাকবে ১৫ বছর পর্যন্ত।

কোর্স চলাকালীন যে কোনো সময়ে এই কার্ডের জন্য আবেদন করা যাবে। আবেদন করার জন্য যে পোর্টাল ব্যবহার করতে হবে তা হল -www.wb.gov.in।আবেদনকারী ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করার জন্য সেল্ফ ডিক্লারেশন দিলেই হবে। তবে শর্তানুযায়ী তাঁকে অন্তত দশ বছর পশ্চিমবঙ্গের বাসিন্দা হতে হবে।

ঋণের অর্থে ছাত্রছাত্রীরা যে কোনও শিক্ষা সরঞ্জাম কিনতে পারেন। শিক্ষা পরিবহণ খাতে অর্থ ব্যবহার করতে পারেন কোনও ছাত্রাবাসে থাকলে সেই অর্থও ঋণের টাকায় দিতে পারেন। যে প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থী যুক্ত সেই প্রতিষ্ঠান হিসেবের বাইরে অর্থ খরচ করার এক্তিয়ার রয়েছে মাত্র ৩০ শতাংশ।

ঋণ পরিশোধের ক্ষেত্রে, অভিভাবক চাইলে ঋণের ঋণের কিস্তি শোধ করতে পারেন আগেভাগেই। সময়ের আগে কিস্তি মিটিয়ে দেওয়ার জন্য আলাদা করে কোনও পেনাল্টি বা প্রসেসিং চার্জ দিতে হবে না। একজন ছাত্র ঋণ শোধ করার জন্য মোট সময় পাবেন ১৫ বছর।এই ঋণের ক্ষেত্রে সুদের হার হবে ৪ শতাংশ। সরল সুদের হারে ঋণ শোধ করতে হবে।

Chandramani Saha

চন্দ্রমণি সাহা যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী এবং একজন প্রতিশ্রুতিবান সাংবাদিক। গতানুগতিক সংবাদের বাইরে গিয়ে মানবিক আবেদন সম্পন্ন গল্প এবং প্রান্তিক মানুষের জীবনসংগ্রাম তুলে ধরাই তার প্রধান লক্ষ্য। বর্তমানে তিনি The Khargapur Post-এর সম্পাদকীয় বিভাগে কর্মরত।

Home Breaking E - Paper Video Join