TRENDS

সাড়ে ৩ মাস পেরিয়ে পদ পেলেন তৃনমূলে আসা খড়গপুরের ৪ প্রাক্তন বিজেপি নেতা

Chandramani Saha

নিজস্ব সংবাদদাতা: অবশেষে পদ প্রাপ্তি হল বিজেপি থেকে সাড়ে ৩ মাস আগে তৃনমূলে যোগ দেওয়া চারজন খড়গপুর নেতার। রবিবার এমনটাই ঘোষনা করলেন তৃনমূলের পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা সভাপতি অজিত মাইতি। এদিন মেদিনীপুর শহরের বিদ্যাসাগর হলে সাংবাদিকদের সামনে জেলা সভাপতি জানান যে, এই চারজনকেই জেলা কমিটির সম্পাদক হিসাবে নিয়োগ করা হয়েছে।

এই চারজন হলেন শৈলেন্দ্র গুপ্তা, রাজদীপ গুহ ,সজল রায়, অজয় চ্যাটার্জী। বিজেপিতে থাকাকালীন শৈলেন্দ্র ভারতীয় জনতা পার্টির শ্রমিক সংঠনের সভাপতি, রাজদীপ সংখ্যালঘু সেলের জেলা সাধারণ সম্পাদক এবং অজয় ও সজল খড়গপুর শহর উত্তর মন্ডলের প্রাক্তন সভাপতি ও সম্পাদক পদে ছিলেন।

গত বছর সেপ্টেম্বর মাসে খড়গপুর শহর বিধায়ক প্রদীপ সরকারের হাত ধরে কলকাতার তৃনমূল ভবনে গিয়ে শাসকদলের পতাকা ধরে ছিলেন এঁরা। বিজেপির বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল পুরানো কর্মী হিসেবে যথাযথ মর্যাদা না পাওয়া এবং দলের মধ্যে দুর্নীতির প্রবণতা বাড়া স্বত্ত্বেও নেতৃত্বের নিষ্ক্রিয়তা। নতুন দলে আসার পর কোনোও পদ পাননি দীর্ঘদিন। ফলে পুরানো দলের নেতা কর্মীদের উপহাস আর নতুন দলের কর্মীদের কাছ থেকে উপেক্ষা পেয়ে রীতিমত হতাশ হয়েই পড়েছিলেন। দু’একবার ক্ষোভও প্রকাশ করেছিলেন বিধায়কের কাছে।

বিধায়ক প্রদীপ সরকার বিষয়টি নিয়ে দলের রাজ্য নেতৃত্বের সঙ্গে কথা বলেন এমনকি খোদ মূখ্যমন্ত্রী কেও বিষয়টি দেখার জন্য অনুরোধ করেন। এই চারজনের হাত ধরে পরবর্তী কালে আরও কয়েকশ কর্মী বিজেপি থেকে তৃনমূলে এসেছিলেন। ফলে রাজ্য নেতৃত্ব বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখেন।

এরপর রাজ্যের সবুজ সংকেত পেয়েই পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা তৃনমূল তাঁদের জেলা কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করার পাশাপাশি সাধারণ সম্পাদকের পদে ঠাঁই দেন। পাশাপাশি শৈলেন্দ্র কে তৃনমূল শ্রমিক সংগঠনের পদেও আনা হয়েছে। জেলা সভাপতি অজিত মাইতির ও খড়গপুর গ্রামীণ বিধায়ক দিনেন রায়ের় উপস্থিতিতে রবিবার এক সাংবাদিক সম্মেলনে এই ঘোষনা করেন। রাজদীপ গুহ জানিয়েছেন, আমরা কৃতজ্ঞ মাননীয় জেলা সভাপতি অজিত মাইতি ও শহর বিধায়ক প্রদীপ সরকারের প্রতি। এই পদোন্নতি আমাদের সামনের দিনের লড়াইয়ে শক্তি জোগাল।

Chandramani Saha

চন্দ্রমণি সাহা যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী এবং একজন প্রতিশ্রুতিবান সাংবাদিক। গতানুগতিক সংবাদের বাইরে গিয়ে মানবিক আবেদন সম্পন্ন গল্প এবং প্রান্তিক মানুষের জীবনসংগ্রাম তুলে ধরাই তার প্রধান লক্ষ্য। বর্তমানে তিনি The Khargapur Post-এর সম্পাদকীয় বিভাগে কর্মরত।

Home Breaking E - Paper Video Join