নিউজ ডেস্ক: হোলিকা দহনের দিন মর্মান্তিক দুর্ঘটনা; হোলিকা দহনের আগুনে পুড়েই মৃত্যু হল ৩ শিশুর। গুরুতর জখম আরও একটি শিশু। ঘটনাটি ঘটেছে, গত ২৮ শে মার্চ, রবিবার বিহারের বুদ্ধ গয়ায় হোলিকা দহনের দিন।
জানা যায়, মোরাতাল পঞ্চায়েতের অন্তর্গত রাহুল নগর গ্রামে ১২-১৩ বছর বয়সী দলিত সম্প্রদায়ের চারজন শিশু হোলি উৎসবের প্রাক্কালে হোলিকা দহনের আয়োজন করছিল। তারা যখন দহনের বেদি প্রস্তুত করছিল, হঠাৎ কোনও একজন বেদির দু’দিকে আগুন ধরিয়ে দেয়। নিমেষে আগুন ছড়িয়ে যাওয়ায় শিশুরা আগুনের ঘেরাটোপে আটকে পড়ে। তাদের চিৎকারে স্থানীয় লোকজন ছুটে এসে আগুন আয়ত্তে আনলেও ততক্ষণে ৩ জন শিশুর অগ্নিদগ্ধ হয়ে মৃত্যু হয় এবং অন্য একজনকে যন্ত্রণায় কাতর অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। আগুনে অনেকটাই দগ্ধ হয়ে যায় শিশুটির শরীর। জখম অবস্থায় শিশুটিকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বর্তমানে সে মৃত্যুর সাথে লড়াই করছে।
রাহুলনগরের বাসিন্দা নন্দু মাঝি সংবাদমাধ্যমের কাছে বলেন, “এই দুর্ঘটনা আমাদের গ্রামের তিনটি শিশুর প্রাণ কেড়ে নিল।“ তিনি আক্ষেপের সুরে বলেন, ‘তাদের বাবা মায়ের উচিৎ হয়নি তাদের এই অগ্নিবেদির কাছে যেতে দেওয়া।‘ এই ঘটনার জন্য এই বছর আমাদের গ্রামে হোলি উৎসব পালন করা হবে না।”
তবে জানা গিয়েছে, মৃতদের পরিবারের কেউ পুলিশের কাছে কোনও অভিযোগ দায়ের করেনি। নিকটবর্তী ফল্গু নদীর তীরে তাদের শেষকৃত্য সম্পন্ন করা হয়েছে। বোধ গয়ার পুলিশ আধিকারিক মিতেশ কুমার বলেন , “গ্রামবাসীরা সোমবার মৃতদের শেষকৃত্য পালন করেছেন। তারা কোনও অভিযোগ দায়ের করেননি।”
এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনার পাশাপাশি হোলি উৎসবের প্রাক্কালে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে নানা অপরাধমূলক ঘটনার খবর আসে। যেমন বিহারের বক্সার জেলায় মুফাসিল থানার অন্তর্গত পান্ডেপতি গ্রামের এক মহিলা স্থানীয় কিছু ছেলের উপদ্রবের প্রতিবাদ করায় তাকে গুলি করা হয়। অপরাধীরা ঘটনার পর পালিয়ে যায়। স্থানীয় লোকজন মহিলাকে সরকারি হাসপাতালে ভর্তি করে। বক্সারের পুলিশ আধিকারিক গোরখ রাম বলেন, “কিছু স্থানীয় ছেলেরা উচ্চস্বরে গান বাজানোর প্রতিবাদ করায় মহিলাকে গুলি করা হয়েছে। মহিলার পায়ে গুলি লেগেছে। আমরা বিষয়টি তদন্ত করছি।”
হোলির দিন সীতামাড়ি জেলার পারসাউনি থানার মুসাহারি গ্রামের দুজন ব্যক্তির মোটরবাইকের মুখোমুখি সংঘর্ষে মৃত্যু হয়েছে। অন্যদিকে সোমবার মধুবনী জেলায় জমি সংক্রান্ত বিবাদে দুই দলের বিবাদ একজনের গুলিবদ্ধ হয়ে মৃত্যু হয়েছে এবং ৫ জন জখম হয়েছেন। তার আগে গত রবিবার নালন্দা জেলার তেলহারাতে একটি লরি একটি মিষ্টির দোকানে ধাক্কা মারায় ছয় জনের মৃত্যু হয়েছে। এই ঘটনায় স্থানীয় লোকজনের মধ্যে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। তারা তেলহারা থানা আক্রমণ করে এবং থানার সামনের সমস্ত যানবাহন ভাঙচুর করে।
এই সকল অপরাধমূলক কাজ, বিক্ষোভ ও দুর্ঘটনার কারণে এবং করোনার প্রকোপের উত্তরোত্তর বৃদ্ধির দিকে লক্ষ্য রেখে সোমবার হোলি উৎসব পালনের ক্ষেত্রে রাজ্য সরকার জমায়েতের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে।
অভিরুপ মাইতি, খড়গপুর: দু’টি বিয়ের পরেও ফের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়া, আর তারই জেরে শেষ পর্যন্ত…
লক্ষাধিক টাকার জাল নোট-সহ আটক সপ্তম শ্রেণির মেধাবী ছাত্র। পুলিশ নাবালকের কাছ থেকে ৪ লক্ষ…
বলিউড অভিনেতা সোনু সুদ করোনার সময়ে সাধারণ মানুষের ত্রাতা হয়ে উঠেছিলেন। জুটেছিল বাস্তব জীবনের হিরোর…
নিজস্ব সংবাদদাতা: স্কুল কিংবা টিউশন পড়তে যাওয়ার পথে কিশোরীর দিকে চেয়ে থাকত লোলুপ দু'টো চোখ।…
বিশ্বজিৎ দাস:- ভয়াবহ দুর্ঘটনার হাত থেকে রেহাই পেল ক্যানিং স্টাফ স্পেশাল ট্রেন। তাও মাত্র সাত…
নিজস্ব সংবাদদাতা: লকডাউন কেড়ে নিয়েছে তাঁর এবং স্বামীর পেশা। একরত্তি মেয়ে কে নিয়ে সংসার ভাসছে…